১১ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৭শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | মঙ্গলবার | বর্ষাকাল | সকাল ৯:১৫
সংবাদ শিরোনামঃ
ভেড়ামারায় ‘মাদককে না’ বলে যুবদের মাঝে ফুটবল বিতরণ ঢাকাস্থ ভেড়ামারা সমিতির সদস্যদের জন্য সিমেক হেলথে অর্ধেক ছাড় ভেড়ামারা শহরের যানজট নিরসনে অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। কুষ্টিয়া-২ আসনের এমপি আব্দুল গফুরের উদ্যোগে অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইলচেয়ার বিতরণ পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধি / নদীভাঙনে বিলীন হওয়ার পথে ভেড়ামারার ফয়জুল্লাহপুর গ্রাম/ পরিদর্শনে জামায়াত নেতৃবৃন্দ কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় ছিনতাইয়ের শিকার ডিম ব্যবসায়ীকে জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় উপজেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে অর্থ সহায়তা প্রদান । রাজপথের লড়াকু সৈনিক মানবতার সেবক ভেড়ামারার স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা এসএস. আল হুসাইন সোহাগ কুষ্টিয়া-পাবনা মহাসড়কে হিমেল সীমান্ত ও ঈগল এক্সপ্রেসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক কুষ্টিয়া কৃষ্টির ষষ্ঠ সংখ্যা মোড়ক উন্মোচন/ কৃতি সাঁতারুদের নিয়ে বিশেষ সংখ্যা প্রকাশের উদ্যোগ! ভেড়ামারায় অসহায়, দুস্থ ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী উপহার দিল শিশু তাহমিদ ফাউন্ডেশন
এডিসি হিসাবে পদোন্নতি পেলেন ভেড়ামারার সুযোগ্য নির্বাহী অফিসার সোহেল মারুফ

এডিসি হিসাবে পদোন্নতি পেলেন ভেড়ামারার সুযোগ্য নির্বাহী অফিসার সোহেল মারুফ

নোমান জহির রাজা / উজ্জ্বল হোসেন :
অতিরিক্ত জেলা প্রসাশক এডিসি হিসেবে পদন্নোতি পেলেন ভেড়ামারা উপজেলার সুযোগ্য নির্বাহী অফিসার, মেধাবী প্রশাসনিক কর্মকর্তা, করোনা কালীন সময়ে নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে জনগনের পাশে থাকা সফল ইউএনও সোহেল মারুফ। তিনি পাবনা-ভাঙ্গুড়ার কৃতি সন্তান এবং ভাঙ্গুড়া থানার পাথর ঘাটা গ্রামের সাবেক প্রধান শিক্ষক আবুল হোসেন মাষ্টারের কনিষ্ঠ সন্তান । তার এই অর্জনে এলাকাবাসী সহ সকল বন্ধু বান্ধব ও পরিবার পরিজন গর্বিত ও আনন্দিত।
শান্তশিষ্ট ও নম্র-ভদ্র স্বভাবের সোহেল মারুফ গ্রামের স্কুল থেকে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে সরকারি ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেন পরবর্তীতে পাবনা জেলা স্কুলে ভর্তি হয়ে ১৯৯৭সালে মাধ্যমিক শিক্ষা শেষ করেন। মাধ্যমিক শিক্ষা শেষে উচ্চমাধ্যমিকে মোহাম্মদপুর মডেল রেসিডেনসিয়াল কলেজে ভর্তি হন এবং ১৯৯৯ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। এরপর মেধাবী সোহেল মারুফ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা,পানি ও পরিবেশ বিভাগে১৯৯৯-২০০০শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হন।ডিপার্টমেন্টে ভালো ফলাফলের কারণে অতি অল্প সময়ের মধ্যে শিক্ষকদের স্নেহভাজন হনএবং নজরে আসেন। যার ফলে ২০০৩ সালে স্নাতক ও ২০০৪ সালে কৃতিত্বের সাথে স্নাতকত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। শিক্ষাজীবন শেষে ২০১২ সালের ৩ জুন ৩০ তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে যোগদান করেন। ইতিপূর্বে তিনি ব্যাংক সহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। প্রথমেই যোগদান করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে কুড়িগ্রাম, এরপর এসিল্যান্ড হিসেবে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসাবে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় যোগদান করেন। কর্মজীবনের দীর্ঘ সময় তিনি কাটিয়েছেন ভেড়ামারায়। কর্মদক্ষতা দিয়ে তিনি জয় করেন ভেড়ামারার ৪ লাখ মানুষের হৃদয়। জনগনের সেবা দিতে কোন বাধায় তার বাধা হয়ে দাঁড়ায় নি। সবার অাগে ছিলেন সব সময়। সফল এই কর্মকর্তা গত ২৮ মার্চ পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হন। তাকে বদলী করা হয় বরিশাল জেলায়। এডিসি হিসাবে এটাই হবে তার প্রথম কর্মস্থল।
তিনি একজন সফল এবং দায়িত্ববান ব্যক্তি। পারিবারিক জীবনে তিনি একজন সুখী দম্পতি ও এক পুত্র এবং এক কন্যা সন্তানের জনক এবং তারা তিন ভাই ও দুই বোন। তার বড় ভাই সুজন আহমেদও ঢাকা বিশব্বিদ্যালয়ের সাবেক নামকরা ছাএ দীর্ঘদিন ইউরোপে অবস্থানে পর এখন ব্যবসায়ের সাথে যুক্ত ,মেঝ ভাই শামীম আহমেদ স্হানীয় রাজনীতিবিদ ও ঠিকাদারি কাজে যুক্ত এবং দুই বোনের বড় বোন গত হয়েছেন বেশ কিছু বছর আগেই এবং ছোট বোন গৃহিনী স্বামীর সহিত ঢাকা থাকেন।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন

Advertisement

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2024