| | | |
সংবাদ শিরোনামঃ
মুুক্তিযোদ্ধার জানাযা ও দাফনে বাধা প্রদানের প্রতিবাদে ভেড়ামারায় মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ তাড়াশে হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে জনগণকে সম্পৃক্ত করে কমিউনিটি সভা অনুষ্ঠিত মিরপুরে মাটি পরীক্ষায় ডিজিটাল সেন্সর ব্যবহারে প্রশিক্ষণ ও ডিভাইস বিতরণ ভেড়ামারায় বিয়ে করতে এসে জরিমানা গুনতে হলো বর কে ভেড়ামারায় আলহেরা মডেল একাডেমী স্কুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও মা সমাবেশ ভেড়ামারার পদ্মায় পানির তোড়ে ভেসে গেলো কৃষক ভেড়ামারায় গনধর্ষন/ ৪ দিন মৃত্যুর সাথে লড়ে হেরে গেলো তরুনী ভেড়ামারা থানা পুলিশের অভিযানে ৪০ পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ ২জন আসামি গ্রেফতার। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর সঙ্গে ঢাকাস্থ ভেড়ামারা সমিতির নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে বাবা-মা, দাদু আর একমাত্র ভাই সবাইকে হারিয়ে মহিমার চোখে কেবলই অন্ধকার/ আগুনে ছাই হয়ে গেল মহিমার সব স্বপ্ন
এডিসি হিসাবে পদোন্নতি পেলেন ভেড়ামারার সুযোগ্য নির্বাহী অফিসার সোহেল মারুফ

এডিসি হিসাবে পদোন্নতি পেলেন ভেড়ামারার সুযোগ্য নির্বাহী অফিসার সোহেল মারুফ

নোমান জহির রাজা / উজ্জ্বল হোসেন :
অতিরিক্ত জেলা প্রসাশক এডিসি হিসেবে পদন্নোতি পেলেন ভেড়ামারা উপজেলার সুযোগ্য নির্বাহী অফিসার, মেধাবী প্রশাসনিক কর্মকর্তা, করোনা কালীন সময়ে নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে জনগনের পাশে থাকা সফল ইউএনও সোহেল মারুফ। তিনি পাবনা-ভাঙ্গুড়ার কৃতি সন্তান এবং ভাঙ্গুড়া থানার পাথর ঘাটা গ্রামের সাবেক প্রধান শিক্ষক আবুল হোসেন মাষ্টারের কনিষ্ঠ সন্তান । তার এই অর্জনে এলাকাবাসী সহ সকল বন্ধু বান্ধব ও পরিবার পরিজন গর্বিত ও আনন্দিত।
শান্তশিষ্ট ও নম্র-ভদ্র স্বভাবের সোহেল মারুফ গ্রামের স্কুল থেকে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে সরকারি ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেন পরবর্তীতে পাবনা জেলা স্কুলে ভর্তি হয়ে ১৯৯৭সালে মাধ্যমিক শিক্ষা শেষ করেন। মাধ্যমিক শিক্ষা শেষে উচ্চমাধ্যমিকে মোহাম্মদপুর মডেল রেসিডেনসিয়াল কলেজে ভর্তি হন এবং ১৯৯৯ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। এরপর মেধাবী সোহেল মারুফ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা,পানি ও পরিবেশ বিভাগে১৯৯৯-২০০০শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হন।ডিপার্টমেন্টে ভালো ফলাফলের কারণে অতি অল্প সময়ের মধ্যে শিক্ষকদের স্নেহভাজন হনএবং নজরে আসেন। যার ফলে ২০০৩ সালে স্নাতক ও ২০০৪ সালে কৃতিত্বের সাথে স্নাতকত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। শিক্ষাজীবন শেষে ২০১২ সালের ৩ জুন ৩০ তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে যোগদান করেন। ইতিপূর্বে তিনি ব্যাংক সহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। প্রথমেই যোগদান করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে কুড়িগ্রাম, এরপর এসিল্যান্ড হিসেবে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসাবে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় যোগদান করেন। কর্মজীবনের দীর্ঘ সময় তিনি কাটিয়েছেন ভেড়ামারায়। কর্মদক্ষতা দিয়ে তিনি জয় করেন ভেড়ামারার ৪ লাখ মানুষের হৃদয়। জনগনের সেবা দিতে কোন বাধায় তার বাধা হয়ে দাঁড়ায় নি। সবার অাগে ছিলেন সব সময়। সফল এই কর্মকর্তা গত ২৮ মার্চ পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হন। তাকে বদলী করা হয় বরিশাল জেলায়। এডিসি হিসাবে এটাই হবে তার প্রথম কর্মস্থল।
তিনি একজন সফল এবং দায়িত্ববান ব্যক্তি। পারিবারিক জীবনে তিনি একজন সুখী দম্পতি ও এক পুত্র এবং এক কন্যা সন্তানের জনক এবং তারা তিন ভাই ও দুই বোন। তার বড় ভাই সুজন আহমেদও ঢাকা বিশব্বিদ্যালয়ের সাবেক নামকরা ছাএ দীর্ঘদিন ইউরোপে অবস্থানে পর এখন ব্যবসায়ের সাথে যুক্ত ,মেঝ ভাই শামীম আহমেদ স্হানীয় রাজনীতিবিদ ও ঠিকাদারি কাজে যুক্ত এবং দুই বোনের বড় বোন গত হয়েছেন বেশ কিছু বছর আগেই এবং ছোট বোন গৃহিনী স্বামীর সহিত ঢাকা থাকেন।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন

Advertisement

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2024