| | | |
সংবাদ শিরোনামঃ
মিরপুরে মাটি পরীক্ষায় ডিজিটাল সেন্সর ব্যবহারে প্রশিক্ষণ ও ডিভাইস বিতরণ ভেড়ামারায় বিয়ে করতে এসে জরিমানা গুনতে হলো বর কে ভেড়ামারায় আলহেরা মডেল একাডেমী স্কুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও মা সমাবেশ ভেড়ামারার পদ্মায় পানির তোড়ে ভেসে গেলো কৃষক ভেড়ামারায় গনধর্ষন/ ৪ দিন মৃত্যুর সাথে লড়ে হেরে গেলো তরুনী ভেড়ামারা থানা পুলিশের অভিযানে ৪০ পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ ২জন আসামি গ্রেফতার। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর সঙ্গে ঢাকাস্থ ভেড়ামারা সমিতির নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে বাবা-মা, দাদু আর একমাত্র ভাই সবাইকে হারিয়ে মহিমার চোখে কেবলই অন্ধকার/ আগুনে ছাই হয়ে গেল মহিমার সব স্বপ্ন ভেড়ামারায় এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ভেড়ামারায় ‘মাদককে না’ বলে যুবদের মাঝে ফুটবল বিতরণ
পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধি / নদীভাঙনে বিলীন হওয়ার পথে ভেড়ামারার ফয়জুল্লাহপুর গ্রাম/ পরিদর্শনে জামায়াত নেতৃবৃন্দ

পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধি / নদীভাঙনে বিলীন হওয়ার পথে ভেড়ামারার ফয়জুল্লাহপুর গ্রাম/ পরিদর্শনে জামায়াত নেতৃবৃন্দ

উজ্জ্বল হোসেন :
উজান থেকে ধেঁয়ে আসা বন্যা আর বৃষ্টির পানিতে পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যহত রয়েছে। তীব্র ভাঙনের মুখে ক্রমশঃ বিলীন হওয়ার পথে কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা উপজেলার জুনিয়াদহ ইউনিয়নের ফয়জুল্লাহপুর গ্রাম। অব্যাহত নদীভাঙনে গ্রামটির বহু পরিবার দিনকাটাচ্ছে চরম উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায়। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে গ্রামটির বিস্তীর্ণ অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে।
ফয়জুল্লাহপুরে নদীভাঙনের খবর ছড়িয়ে পড়লে গতকাল মঙ্গলবার সকালে কুষ্টিয়া-২ (ভেড়ামারা-মিরপুর) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল গফুরের প্রতিনিধি এবং ভেড়ামারা উপজেলা পরিষদের জামায়াত-মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী অধ্যাপক ড. নুরুল আমিন জসিম সহ জামায়াত নেতৃবৃন্দ ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তিনি ভাঙনকবলিত এলাকা ঘুরে দেখেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত ও আতঙ্কিত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। স্থানীয়রাও তাদের সমস্যার কথা তুলে ধরলে তিনি মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সংসদ সদস্য আব্দুল গফুরের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ভেড়ামারা উপজেলা শাখার আমীর মোঃ জালাল উদ্দিন, উপজেলা সেক্রেটারি মোঃ শফিকুল আলম, সহকারী সেক্রেটারি মোঃ তারেক রহমান, বাহাদুরপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা নোমান জহির রাজা প্রমুখ।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘ দিন ধরেই ভাঙ্গনে বিলিন হচ্ছে রায়টা বাঁধ এবং ফয়জুল্লাপুর গ্রাম। সাময়িক ব্যবস্থা হিসাবে জিও ব্যাগ ফেলা হলেও, সেটাও নদীতে বিলীন হয়ে যায়। স্থায়ী কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতি তারা জোর দাবি জানান।
অধ্যাপক ড. নুরুল আমীন জসিম বলেন, সময়মতো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হলে ফয়জুল্লাহপুর গ্রামের আরও বিস্তীর্ণ এলাকা পদ্মা নদীর গর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। যা শতাধিক পরিবারের বসতভিটা, কৃষিজমি ও জীবিকার ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলবে। এজন্য স্থায়ী বাঁধ দেওয়ার বিকল্প নেই। এখানে পাথর এবং জিও ব্যাগ দিয়ে বাঁধ দেওয়া হলে নদী ভাঙ্গন থেকে রক্ষা পাবে এই অঞ্চল টি।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন

Advertisement

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2024