অাবু বকর সিদ্দিক :
ভাত দেওয়ার মুরোদ নেই, কিল মারার গোসাইরা টেকে না। শক্তি ফুরোলে লাথি-ঝাটা জোটে কপালে। হাত পেতে পাওয়া টিকার বাইরে টাকার টিকার খবর নেই, আগামী ৫দিনের মধ্যে প্রায় ১৭ কোটি মানুষকে টিকা প্রদানের থেকে গাঁজার নৌকা পাহাড় দিয়ে যাওয়া সহজ। তবে রাস্তায় জরিমানার বহর বহুগুনে বাড়বে, যেভাবে লকডাউন চলাকালেও ডাকাতের থেকে বেশি ভয় পেয়েও মানুষ পুঁজি বাঁচাতে পারেনি মোড়ে মোড়ে থাকাদের কবল থেকে। পেটের দায়ে, জীবন বাঁচাতে বাইরে আসা মানুষদের নানা ধারার আইন দিয়ে পেঁচিয়ে চুষে নেয়া হয়েছে ঘাম ঝরানো চাল-ডালের টাকা।
কাঠালের দেখা নেই, গোঁফে তেল দিয়ে ঠিকই কোষাগার বাড়ানোর ফন্দি করা হয়ে গেছে। কথা না রেখে জনগণকে বাদ দিয়ে নিজেরা টিকা ঢুকিয়ে এখন ‘আসুক খরা’। বরাবরই দেখে আসছি-রাজার হাতির বায়ু ত্যাগের আয়োজন, কোন গর্জন বর্ষণে পরিণত হলো না। এবার গোঁদের উপর বিষফোঁড়া হয়ে আসছে পুলিশের জরিমানা লেখার ক্ষমতা। টিকা তো আর মাস্ক না, বাজার থেকে কেনা জিনিসও না। ১০ তারিখের মধ্যে সবাইকে টিকা দিতে ব্যর্থ হলে জরিমানাটা কি ঘোষকরা দিবে?
উন্নয়ণশীলতা, মাথাপিছু আয়ের স্কোর ও কথিত লকডাউনের দরকার নেই । যে দেশে হাসপাতালে জায়গা না পেয়ে সন্তানের কোলেই শ্বাস কষ্টে মারা যায় মা, রাস্তায়-গাছতলা-পার্কের পাশে রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে যমের টানাটানি সেখানে কিছুই চাই না, সবার আগে মানুষ বাঁচুক।