নোমান জহির রাজা :
শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখায় ‘শেরেবাংলা গোল্ডেন এ্যাওয়ার্ড পেলেন বিজেএম ডিগ্রি কলেজের সদ্য অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আসলাম উদ্দীন। গত ০৪-০৩-২০২২ তারিখ শুক্রবার হোটেল ৭১ বিজয় নগর ঢাকাতে শেরেবাংলা একে ফজলুল হক গবেষণা পরিষদের আয়োজনে এ পদক প্রদান করা হয়। এ সংস্থাটি দেশের শেওে বাংলা সহ মহান ব্যক্তিদের তথ্য নিয়ে গবেষণা করে থাকেন। অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী শেওে বাংলার নাতী সাবেক তথ্য সচিব ও সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বিচারপতি মো: নিজামুল হক নাসিম উপস্থিত থেকে পদক প্রদান করেন। উক্ত অনুষ্ঠানে আসলাম উদ্দীনকে এ সংস্থার আজীবন সদস্য পদ প্রদান করা হয়।
অধ্যক্ষ আসলাম উদ্দীন দীর্ঘ ২৮ বছর সফল ভাবে দায়িত্ব পালন শেষে গত ০৩-০৭-২১ তারিখ তার প্রিয় বিজেএম কলেজ হতে অবসর গ্রহন করেন। তিনি তার পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিও জন্যে বিয়াম, নায়েম ও এইচ এস টি টি আই খুলনা হতে একাধিক প্রশিক্ষণ গ্রহন করেন। তিনি শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখায় জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে উপজেলা পর্যায়ে পাঁচবার ও জেলা পর্যায়ে একবার শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ নির্বাচিত হন। বর্তমানে তিনি কুষ্টিয়া জেলার শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ। এছাড়াও তিনি স্বাধীনতা সংসদ কর্তৃক হিউম্যান রাইটস শাইনিং পারসোনালিটি এ্যাওয়ার্ড, বঙ্গবীর ওসমানী পদক, শেরেবাংলা গোল্ড মেডেল ২০১৯ ও বিচারপতি এসএম মোরশেদ পদক পান। তিনি নিয়মিত কলাম লেখক। তার সৃজনশীল লেখা দুইটা বই অমর একুশে গ্রন্থ মেলায় প্রকাশিত হয়। ন¤্র, ভদ্র, বিনয়ী ও নি:অহংকার এ মানুষটি ১৯৬১ সালের ৪ জুলাই কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের গোসাইপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার নিজ গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয় হতে লেখাপড়া শুরু করে ১৯৮৭ সালে রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয় হতে ইতিহাসে এম.এ করেন। তার পিতার নাম রফিকুল ইসলাম এবং মাতার নাম হালিমা খাতুন। একমাত্র ছেলে আলতামাস আসলাম নিউটন শিক্ষানবিস আইনজীবি হিসেবে কুষ্টিয়া কোর্টে প্র্যাকটিস করছেন এবং একমাত্র মেয়ে নিশাত আনিকা আসলাম এ বছর এইচ.এস.সি পরীক্ষার্থী। তার স্ত্রী মিসেস ফ্লোরা আসলাম রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয় হতে এম.এ ডিগ্রি নিয়ে বাহাদুরপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিষয়ের সিনিয়র শিক্ষক হিসেবে কর্মরত।