উজ্জ্বল হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার: ভেড়ামারা উপজেলার ধরমপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, বিশিষ্ট রাজনৈতিক ও সমাজসেবক বাবলু মোল্লা এবং তার ছোট ভাই বিশিষ্ট ইট ভাটা মালিক ও ধরমপুর ইউনিয়ন যুবলীগের অন্যতম নেতা সাইফুল ইসলাম কে কৌশলে বাড়িতে ডেকে নিয়ে তালা বদ্ধ করে পিটিয়েছে একদল সন্ত্রাসীরা। পূর্ব পরিকল্পিত এ হামলায় দুই ভাইকেই রক্তাক্ত জখম করে গুরুতর আহত করে জ্ঞান শূন্য অবস্থায় ফেলে রেখে দেয়। পরে স্থানীয়রা তাদের কে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এ ঘটনার পর চিহ্নিত ওই সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে দৃষ্ঠান্তমুলক শাস্তি দাবী করেছেন স্থানীয় আওয়ামীলীগ ও যুবলীগ নেতৃবৃন্দ। এ বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে আহত আওয়ামী নেতার ভাই ধরমপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জিয়াউর রহমান।
একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে, ভেড়ামারা উপজেলার হাওয়াখালী মাঠে ইটভাটা রয়েছে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলামের। দৌলতপুর উপজেলার আল্লারদর্গা এলাকার খোরশেদ’র পুত্র মান্নান সাইফুলের কাছ থেকে ১ লক্ষ টাকার ইট ক্রয় করেন। ভাটা থেকে যথারীতি ট্রলি যোগে ইটও সরবরাহ করেন। গতকাল বুধবার দুপুরে ট্রলি যোগে ইট পাঠানো হলে, মান্নান গংরা ট্রলি আটকিয়ে রাখে এবং ড্রাইভার কে মারধর করে। সন্ত্রাসীরা ইটের ট্রলিটি বাড়ির ভিতর নিয়ে আটকিয়ে রেখে, ফোনের মাধ্যমে টাকা লেনদেনের কথা বলে কৌশলে ভাটা মালিক সাইফুল কে আল্লারদর্গা বাজারস্থ আব্দুল মান্নানের বাড়িতে আসতে বলে। এ সময় সাইফুল তার বড় ভাই ধরমপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বাবলু মোল্লাকেও সরল বিশ্বাসে আল্লারদর্গার ওই বাড়িতে যেতে বলে। দুই ভাই উল্লেখিত স্থানে পৌছালে বাড়িটি তালাবদ্ধ করে দেয় মান্নান গংরা। এসময় বাটাম, ক্রিকেট খেলার ষ্টাম, এবং পাইপ দিয়ে আচমকা বেধড়ক পিটাতে থাকে দুই ভাইকে। ঘটনার আকষ্মিকতায় বাকরুদ্ধ হয়ে পড়ে তারা। লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে খোরশেদ’র পুত্র মান্নান, মৃত শাজাহানের পুত্র দারা, মৃত ইসমাইলের পুত্র সেলিম ও রাজিব সহ ১০/১২ জন সন্ত্রাসী তাদের পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। তারা জ্ঞান শূন্য হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় চিকিৎসালয়ে চিকিৎসা শেষে ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করে।
এ ঘটনার পর আহত আওয়ামীলীগ নেতাদের দেখতে ছুটে যান ধরমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক শাহাবুল আলম লালু সহ আওয়ামীলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা। তারা চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির দাবী করেছেন।