১০ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৬শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | সোমবার | বর্ষাকাল | সন্ধ্যা ৬:৪৯
সংবাদ শিরোনামঃ
ভেড়ামারায় ‘মাদককে না’ বলে যুবদের মাঝে ফুটবল বিতরণ ঢাকাস্থ ভেড়ামারা সমিতির সদস্যদের জন্য সিমেক হেলথে অর্ধেক ছাড় ভেড়ামারা শহরের যানজট নিরসনে অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। কুষ্টিয়া-২ আসনের এমপি আব্দুল গফুরের উদ্যোগে অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইলচেয়ার বিতরণ পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধি / নদীভাঙনে বিলীন হওয়ার পথে ভেড়ামারার ফয়জুল্লাহপুর গ্রাম/ পরিদর্শনে জামায়াত নেতৃবৃন্দ কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় ছিনতাইয়ের শিকার ডিম ব্যবসায়ীকে জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় উপজেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে অর্থ সহায়তা প্রদান । রাজপথের লড়াকু সৈনিক মানবতার সেবক ভেড়ামারার স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা এসএস. আল হুসাইন সোহাগ কুষ্টিয়া-পাবনা মহাসড়কে হিমেল সীমান্ত ও ঈগল এক্সপ্রেসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক কুষ্টিয়া কৃষ্টির ষষ্ঠ সংখ্যা মোড়ক উন্মোচন/ কৃতি সাঁতারুদের নিয়ে বিশেষ সংখ্যা প্রকাশের উদ্যোগ! ভেড়ামারায় অসহায়, দুস্থ ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী উপহার দিল শিশু তাহমিদ ফাউন্ডেশন
ভেড়ামারায় ৪ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ভয়াবহ আগুন, পুড়ে ছাই পানবরজ, ফসলি জমি ও বসতবাড়ি

ভেড়ামারায় ৪ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ভয়াবহ আগুন, পুড়ে ছাই পানবরজ, ফসলি জমি ও বসতবাড়ি

সরোয়ার হোসেন :
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারাবাসী ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের স্বাক্ষী হলো। ৪ কিলোমিটার জুড়ে আগুনের ভয়াবহ তীব্রতায় পুড়ে ছাই হয়ে গেছে কয়েক হাজার বিঘা জমির পানবরজ, ফসলি জমি ও বসতবাড়ি। এলাকায় শোকের মাতন আর আহাজারীতে ভারী হয়ে গেছে আকাশ বাতাস। কয়েক শত কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে। ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট এবং গ্রামবাসীর নিরলস প্রচেষ্টায় ৪ ঘন্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রনে আসে।
সূত্র জানায়, ভেড়ামারা উপজেলার রায়টা পাথরঘাট এলাকার একটি পানবরজে দুপুর ১২টার দিকে প্রথমে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। এরপর তা ছড়িয়ে পড়ে। একটার পর একটা পুড়তে থাকে পানবরজ। এক পর্য্যায়ে ভয়াবহরুপ নেয় আগুন। বিস্তৃর্ণ এলাকা জুড়ে আগুনের লেলিহান শিখায় জ্বলতে থাকে একরের পর একর পান বরজ, ফসলি জমি ও বসত বাড়ি। রায়টা, মেঘনাপাড়া, মাধবপুর, আড়কান্দি,গোসাইপাড়ার প্রায় ৪ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে থাকা পানবরজ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ভেড়ামারা ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকাবাসীর সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণের ব্যার্থ চেষ্টা চালা। আগুন নিয়ন্ত্রণের বাইরে, আগুনের তীব্রতা এতোই বেশি যে, দশ কিলোমিটার দূরেও বাতাসে ছাই উড়তে দেখা যায় । সার্ভিস স্টেশন অফিসার শরিফুল ইসলাম, আগুনের ভয়াবহতায় কুষ্টিয়া, মিরপুর, ঈশ্বরদীর ইউনিট গুলোকে সংবাদ দিলে, তারাও দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রনের চেষ্টা চালায়।
আড়কান্দি গ্রামের রোকনুজ্জামান রোকন জানান, নজিরবিহীন অগ্নিকান্ডের স্বাক্ষী হলো ভেড়ামারাবাসী। আগুনে প্রায় ৪কিলোমিটার এলাকা জুড়ে থাকা পানবরজ, ফসলি জমি, বসতবাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এলাকার মানুষের হৃদয়বিদারক আহাজারীতে আকাশ বাতাস ভারী হয়ে গেছে। তবে, কিভাবে আগুনের সূত্রপাত তা এখনো জানা সম্ভব হয়নি।
বাহাদুরপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সোহেল রানা পবন জানান, ভয়াবহ আগুন নিয়ন্ত্রন করতে ফায়ার সার্ভিসের ৪ টি ইউনিট এবং গ্রামবাসীর প্রচেষ্টায় ৪ ঘন্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রনে আসে। ভয়াবহ আগুনে নিঃস্ব হয়ে গেছে এ ইউনিয়নের হতদরিদ্র মানুষ। আগুনে মানুষের স্বপ্নের পাশাপাশি কয়েক শত কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন

Advertisement

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2024