১১ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৭শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | মঙ্গলবার | বর্ষাকাল | দুপুর ২:১৮
সংবাদ শিরোনামঃ
ভেড়ামারায় ‘মাদককে না’ বলে যুবদের মাঝে ফুটবল বিতরণ ঢাকাস্থ ভেড়ামারা সমিতির সদস্যদের জন্য সিমেক হেলথে অর্ধেক ছাড় ভেড়ামারা শহরের যানজট নিরসনে অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। কুষ্টিয়া-২ আসনের এমপি আব্দুল গফুরের উদ্যোগে অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইলচেয়ার বিতরণ পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধি / নদীভাঙনে বিলীন হওয়ার পথে ভেড়ামারার ফয়জুল্লাহপুর গ্রাম/ পরিদর্শনে জামায়াত নেতৃবৃন্দ কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় ছিনতাইয়ের শিকার ডিম ব্যবসায়ীকে জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় উপজেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে অর্থ সহায়তা প্রদান । রাজপথের লড়াকু সৈনিক মানবতার সেবক ভেড়ামারার স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা এসএস. আল হুসাইন সোহাগ কুষ্টিয়া-পাবনা মহাসড়কে হিমেল সীমান্ত ও ঈগল এক্সপ্রেসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক কুষ্টিয়া কৃষ্টির ষষ্ঠ সংখ্যা মোড়ক উন্মোচন/ কৃতি সাঁতারুদের নিয়ে বিশেষ সংখ্যা প্রকাশের উদ্যোগ! ভেড়ামারায় অসহায়, দুস্থ ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী উপহার দিল শিশু তাহমিদ ফাউন্ডেশন
ভেড়ামারার পেট্রোল পাম্প বিস্ফোরনের ঘটনায় মৃত’র সংখ্যা বেড়ে-৫

ভেড়ামারার পেট্রোল পাম্প বিস্ফোরনের ঘটনায় মৃত’র সংখ্যা বেড়ে-৫

শাহ্ জামাল :
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার দফাদার পেট্রোল পাম্পে বিস্ফোরনের ঘটনায় বিদ্যুৎ হোসেন (২৫) নামে আরও একজন মারা গেছেন। এ নিয়ে বিস্ফোরনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচজনে। মঙ্গলবার রাত ১২টা ৫ মিনিটে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। গত ১৩ আগস্ট ভোর সাড়ে ৪টায় সেখানে ভর্তি করা হয় তাকে। তার শরীরের ১৭ শতাংশ অংশ পুড়ে গিয়েছিল। সে ভেড়ামারা উপজেলার পরানখালী গ্রামের বিল্লাল হোসেনের ছেলে।
ভেড়ামারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান জানিয়েছেন, দফাদার পেট্রোল পাম্প বিস্ফোরনের ঘটনায় আরও একজন মারা গেছেন। মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল পাঁচজনে।
গত ১২ আগস্ট সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ভেড়ামারা উপজেলার মহিষাডোরা এলাকায় দফাদার ফিলিং স্টেশনে বিস্ফোরনের ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই দৌলতপুর উপজেলার দিঘলকান্দি গ্রামের শাহাজুদ্দীনের ছেলে শাহাজুল (৩৫) ও একই এলাকার তৌহিদুল ইসলামের ছেলে বিজয় (১৬) নিহত হয়। পরদিন ১৩ আগষ্ট দিবাগত রাত ১২টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মো. রাজিব উদ্দিন (২৫) ও ১৮ আগস্ট ভোরে রিমন (১৪) নামে একজন একই হাসপাতালে মারা যান। সর্ব শেষ শরীরের ১৭ শতাংশ পুড়ে যাওয়া শরীর নিয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছিলেন বিদ্যুৎ হোসেন। সেও গত মঙ্গলবার রাত ১২টা ৫ মিনিটে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। দফাদার ফিলিং ষ্টেশন টি বিস্ফোরনের পর থেকে এখনো বন্ধ রয়েছে। এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য পাম্পের মালিক জুয়েল হাসান সহ কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন

Advertisement

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2024