| | | |
সংবাদ শিরোনামঃ
মিরপুরে মাটি পরীক্ষায় ডিজিটাল সেন্সর ব্যবহারে প্রশিক্ষণ ও ডিভাইস বিতরণ ভেড়ামারায় বিয়ে করতে এসে জরিমানা গুনতে হলো বর কে ভেড়ামারায় আলহেরা মডেল একাডেমী স্কুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও মা সমাবেশ ভেড়ামারার পদ্মায় পানির তোড়ে ভেসে গেলো কৃষক ভেড়ামারায় গনধর্ষন/ ৪ দিন মৃত্যুর সাথে লড়ে হেরে গেলো তরুনী ভেড়ামারা থানা পুলিশের অভিযানে ৪০ পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ ২জন আসামি গ্রেফতার। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর সঙ্গে ঢাকাস্থ ভেড়ামারা সমিতির নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে বাবা-মা, দাদু আর একমাত্র ভাই সবাইকে হারিয়ে মহিমার চোখে কেবলই অন্ধকার/ আগুনে ছাই হয়ে গেল মহিমার সব স্বপ্ন ভেড়ামারায় এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ভেড়ামারায় ‘মাদককে না’ বলে যুবদের মাঝে ফুটবল বিতরণ
ভেড়ামারা রায়টায় বাঘ সন্দেহে মেছোবাঘকে পিটিয়ে হত্যা

ভেড়ামারা রায়টায় বাঘ সন্দেহে মেছোবাঘকে পিটিয়ে হত্যা

এস এম রওনক :
কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা উপজেলার নদী তীরবর্তী এলাকা রায়টা মহলদার পাড়ায় মোঃ শহিদুল মলদারের পান বরজে আজ সকাল ১১ টার সময় বাঘ সন্দেহে মেছোবাঘ কে গণপিটুনিতে হত্যা করা হয়েছে

এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, প্রত্যেক দিনের মতো আজও পান বরজে সকালে কাজ করতে গেলে বরজের ভেতরে বাঘ সদৃশ্য প্রাণীটিকে দেখতে পাওয়া যায়, আতঙ্কিত হয়ে তার সম্মুখে যেতেই আক্রমাত্মকভাবে তেড়ে আসে তার আক্রমণে প্রাণ বাঁচাতে অনেক ডাকাডাকি চেঁচামেচি করার পরে আশপাশের পান বরজে কর্মরত শ্রমিকরা ও লোকজন এসে মেছো বাঘটিকে পিটিয়ে আহত করলে পরে ঘটনাস্থলাই মারা যায়, এলকাবাসীর ধারনা মেছোবাঘটি নদী দিয়ে সাঁতরে এখানে এসেছে আর এটা আমরা বাঘ মনে করে আত্মরক্ষায় মারা হয়েছে যদি জানতাম এটা বাঘের মতো আক্রমণাত্মক নয় এবং এটা মেছো বিড়াল প্রকৃতির তাহলে কখনোই মারতাম না,

তথ্যসূত্র অনুযায়ী মেছোবাঘ (বৈজ্ঞানিক নাম: Prionailurus viverrinus) মাঝারি আকারের বিড়ালগোত্রীয় দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার স্তন্যপায়ী বন্যপ্রাণী। জনবসতি স্থাপন, কৃষিজমিতে রূপান্তর ও অন্যান্য কারণে বাঘরোলের আবাসস্থল জলাভূমিগুলো দিন দিন সংকুচিত ও হ্রাস পাওয়াই এর মূল কারণ। তাই আইইউসিএন ২০০৮ সালে মেছোবাঘকে বিপন্ন প্রজাতির তালিকায় অর্ন্তভুক্ত করে।
মেছোবাঘের বিস্তৃতি ২০১৬ এর তথ্যানুযায়ী
বাংলাদেশের ১৯৭৪[২] ও ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনের তফসিল-১ অনুযায়ী এ প্রজাতিটি সংরক্ষিত।[৩]

মেছোবাঘ সাধারণত জলাভূমি, বরাবর নদী, প্রবাহ, অশ্বখুরাকৃতি হ্রদ, জলাভূমি, এবং ম্যানগ্রোভতে বাস করে। এদের উপস্থিতি সেখানকার জলাভূমির অবস্থার ভালো-মন্দ নির্ধারণে সাহায্য করে। এরা সাঁতারে পারদর্শী হ‌ওয়ায় এধরনের পরিবেশে সহজেই খাপ খাওয়াতে পারে। এদের গায়ে ছোপ ছোপ চিহ্ন থাকার জন্য চিতাবাঘ বলেও ভুল করা হয়। ভারতের পশ্চিমবঙ্গে এটিকে সেই রাজ্যের ‘রাজ্য প্রাণী’ তকমা দেওয়া হয়েছে এবং এই রাজ্য বর্তমানে বাঘরোল সংরক্ষণে ও তাদের সংখ্যা বৃদ্ধিতে আশার আলো দেখিয়েছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন

Advertisement

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2024