হৃদয় আহমেদ :
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার জুনিয়াদহ ইউনিয়নের নলুয়া গ্রামে ৫ নং ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি হোসেন শাহ্ ও বিএনপি নেতা রশিদের নেতৃত্বে বেশ কয়েকটি বাড়ি ঘরে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ৩৫ বছর পূর্বের পারিবার কলহের জের ধরেই তাদের বাড়ি ঘরে ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে হোসেন শাহ ও রশিদের নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী।
গতকাল ১৪ই মার্চ শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর আনুমানিক ২টা ১০ মিনিটে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, ৫ নং ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি হোসেন শাহ্ ,রশিদ, বদের,নাদের, নাসিম , আরিফ, শামীম সহ ২০/২৫ জনের সঙ্গবদ্ধ একটি সন্ত্রাসী চক্র পূর্ব পরিকল্পনামাফিক কামাল হোসেন,আশরাফুল মাস্টার ও লকিমুদ্দির বাড়িতে ব্যাপক হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটায়।
এ সময় তারা নকিমুদ্দির ছেলের বউ গায়ে হাত দিয়ে অশালীন আচরণ করে। মাঝেমধ্যেই তারা তাদের বাড়িতে হামলা করে বলে জানাই ভুক্তভোগীরা। এ সময় তাদের বাড়িতে থাকা আসবাবপত্র ভাঙচুর করে ঘরে থাকা গহনা ও টাকা-পয়সাও লুট করে নিয়ে যায় তারা। বাড়িতে থাকা মোটরসাইকেল ও বিভিন্ন মূল্যবান তেজসপত্র ব্যাপক ভাংচুর করে। যার ক্ষয়ক্ষতির আনুমানিক মূল্য প্রায় ১০ লক্ষ টাকা।
ভুক্তভোগী কামাল জানান, তিনি কুষ্টিয়াতে বসবাস করেন।গ্রাম থেকে মুঠোফোনে জানানো হয় তার বাড়িতে হোসেনের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী বাহিনী হামলা করেছে। বাড়িতে থাকা মূল্যবান জিনিসপত্র তারা লুট করে নিয়ে যায়। এ সময় বাড়িতে থাকা বেদাতিক মিটারেও ব্যাপক ভাংচুর করে।
ভুক্তভোগী আশরাফুল মাস্টার বলেন, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে তারা আমার বাবাকেও পূর্বে আঘাত করেছে। তারা মাঝে মাঝেই আমাদের উপরে হামলা করে। এই ঘটনায় আমি জুনিয়াদর ইউনিয়ন বিএনপির নেতা আবুল হোসেনকে জানাই। তিনি বলেন, হোসেন খারাপ প্রকৃতির বেয়াদব মানুষ, তুমি নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখো।
ভেড়ামারা থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ শহিদুল ইসলাম বলেছেন, আমরা অভিযোগ প্রার্থী সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করব।