সাজেদুর রহমান, স্টাফ রিপোর্টার :
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার হাজী ওয়াজেদ আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণীর মেধাবী শিক্ষার্থী আয়েশা খাতুন কে বেধড়ক পিটিয়েছে এক নরপিশাচ। আহত ওই ছাত্রীকে ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তার শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন সহ মেরুদন্ডের হাড় ভেঙে গেছে। সে মাওলাহাবাসপুর গ্রামের বাবুল প্রমানিকের কন্যা। গতকাল রবিবার দুপুর ১২টার দিকে মওলাহাবাসপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনাটি ঘটে। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ভেড়ামারা থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছিল।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কোমলমতি স্কুল ছাত্রী আয়েশা খাতুন রবিবার দুপুর ১২টার দিকে মওলাহাবাসপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে খেলছিল। এসময় সে স্কুল মাঠে থাকা চোরকি রাইট এ ৪ জন বসতে পারে সেটাতে খেলতে ছিল। এ সময় সেখানে ওই এলাকার নরপিশাচ রহমত মিস্ত্রি তার নাতি কে সঙ্গী করে একই স্থানে খেলতে আসে। আয়েশা যে রাইট এ বসেছিল, একই সাইডে তার নাতি বসতে চেয়েছিল। কিন্তু অবুঝ শিশু আয়েশাও তার আসন ছাড়তে চাইছিল না। এ সময় রহমত মিস্ত্রি ক্ষিপ্ত হয়ে সজোরে ধাক্কা দিয়ে রাইড থেকে আয়েশা কে ফেলে দেয়। এরপর তাকে চড় থাপ্পর দিয়ে পিটাতে থাকে। এ সময় তার ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে আয়েশাকে উদ্ধার করে এবং স্থানীয় ডাক্তারের কাছে নিয়ে যায়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ভর্তি করা হয় ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ধাক্কা দিয়ে রাইড থেকে ফেলে দেওয়া এবং আঘাতের কারণে আয়েশার ডান দিকের মেরুদন্ডের পাশের হাড় ভেঙে গেছে। স্থানীয়রা ওই নরপিশাস রহমত মিস্ত্রির শাস্তি দাবি করেছেন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব খেদ আলী রহমত মিস্ত্রির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে জানিয়েছেন, শিশু আয়েশার উপরে ওই নরপিশাস যেভাবে হামলা চালিয়েছে, তাতে পাকিস্তানি হানাদারদের বর্বরতা কেও হার মানিয়েছে।