শাহ্ জামাল :
নুরুজ্জামান সিঙ্গাপুর প্রবাসী। কুয়েতে দীর্ঘদিন থাকার পর এখন সিঙ্গাপুর থাকেন। আয় রোজগার মোটামুটি ভালো। আরো ৩ ভাইয়ের অবস্থাও সচ্ছল। কিন্তু হটাৎ আগুনে পুড়ে নিঃস্ব হয়ে গেছে ৪ ভাইই। আগুনের লেলিহান শিখা পুড়িয়ে ফেলেছে ১০ রুমের সব কিছু। সার্মথ্যবান থেকে এক নিমিষেই ফকির। খোলা আকাশের নীচে এখন তাদের বসবাস। কোন রকম প্রান নিয়ে বেঁচে আছেন। ভেড়ামারা উপজেলার জুনিয়াদহ ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের মওলাহাবাসপুর শান্তিপাড়া গ্রামের নূরুজ্জামান, কামাল, দুলাল ও বিল্লাল মোল্লার বাড়িতে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের এ ঘটনা ঘটে। আগুনে আইপি সিঙ্গাপুর পাসপোর্ট ও পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। গতকাল শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৪টায় আগুনে পুড়ে নিঃস্ব হওয়া নুরুজ্জামান সহ ৪ ভাইয়ের পাশে দাঁড়ানোর ইচ্ছা নিয়েই শান্তিপাড়ায় আসেন, কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর, কুষ্টিয়া-২ ভেড়ামারা-মিরপুর আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী, মিরপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মজলুম জননেতা আব্দুল গফুর। আগুনের লেলিহান শিখায় সব কিছু পুড়ে যাওয়া দেখে তিনি আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন। এসময় সহমর্মিতা প্রকাশ করে ক্ষতিগ্রস্থদের সাথে কথা বলেন। হাউমাউ করে ডুকরে কেঁদে উঠেন নুরুজ্জামান, কামাল, দুলাল ও বিল্লাল মোল্লা। এসময় শান্তনা দিতে বুকে জড়িয়ে নেন তিনি। নগদ ৫ হাজার টাকা করে ২০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দিয়ে তাদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষনা দেন। এসময় তিনি ভেড়ামারাবাসীর ধনী ও সামর্থবানদের উদ্দ্যেশ করে বলেন, আমাদেরই ৪ ভাই আজ আগুনের লেলিহান শিখায় নিঃস্ব হয়ে গেছে। এটা আল্লাহর পরীক্ষা। এমন অবস্থায় সর্বোচ্চ ধৈয্য ধারন করে আল্লাহর সাহয্যে প্রার্থনা করা উচিত। আমাদের উচিত আমাদের সামথ্য অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্থ ভাইদের পাশে দঁড়ানো। আপনাদের যার কাছে যা আছে, তাই দিয়েই মানবিক সহায়তা নিয়ে এগিয়ে আসুন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের প্রশিক্ষন সম্পাদক ও ভেড়ামারা আদর্শ ডিগ্রী কলেজের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. নূরুল আমীন জসিম, ভেড়ামারা উপজেলা জামায়াতের আমীর জালাল উদ্দীন প্রমুখ।