লস অ্যাঞ্জেলেস নিবাসী ৩৭ বছর বয়সী পুরুষ বেনেট ক্যাসপার উইলিয়ামস ২০১৯ সালে বিয়ে করেন আরেক পুরুষকে যার নাম মালিক
এর পর এই দম্পতি সিদ্ধান্ত নেন, তারা সন্তান জন্ম দেবেন। এর পর তারা খুঁজতে থাকেন- সন্তান নেওয়ার কোন কোন সুযোগ তাদের জন্য আছে কিনা। বেনেট মনে করেন গর্ভধারণ এবং সন্তান গর্ভে বহন করা তার জন্য সম্ভব হবে।
২০২০ সালের মার্চ মাসে বেনেট জানতে পারেন যে তিনি গর্ভবতী। তিনি ২০২০ সালের অক্টোবরে সিজারিয়ানের মাধ্যমে হাডসন নামে একটি সুন্দর শিশুর জন্ম দেন।
২০১৪ সালে জরায়ু প্রতিস্থাপন বিজ্ঞানের সম্ভাবনার দরজা খুলে দিয়েছিলো। একজন নারী যার জরায়ু ছিলোনা সেই নারীকে এক নতুন জীবন দিয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা।কিডনি কিংবা চোখ প্রতিস্থাপনের মতো জরায়ু প্রতিস্থাপন করে সন্তান জন্ম দেওয়াও বিজ্ঞানের কাছে আজ থেকে আট বছর আগেই সহজ হয়ে গিয়েছিলো।।
পুরুষ গর্ভধারণের বিষয়টি সারা বিশ্বকে জানিয়েছিলেন বিজ্ঞানী রিচার্ড পলসন। আমেরিকান সোসাইটি ফর রিপ্রোডাক্টিভ মেডিসিনের প্রধান পলসন বলেন, আইভিএফ ভ্রুণ প্রতিস্থাপন ও সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে পুরুষও সন্তান জন্ম দিতে পারে
পাইন ফিশ, সি ড্রাগন এইসব প্রাণীদের মধ্যে পুরুষরাই গর্ভধারণ করে বাচ্চার জন্ম দেয়। শুধুমাত্র নারীরাই গর্ভবতী হতে পারে এই ধারণা পাইন ফিশ ও সি ড্রাগনের ক্ষেত্রে ও সত্যি নয়। পুরুষ হলেই যে মানুষ গর্ভধারণ করে সন্তান জন্ম দিতে পারবেনা এই ধারণাও এখন পৃথিবীতে আর সত্যি নয়। সত্যি হচ্ছে নারী ও পুরুষ যে কেউই এখন আধুনিক বিজ্ঞানের কল্যাণে সন্তান জন্ম দিতে পারবে।
কয়েক বছর আগে দুটি মা ইঁদুর থেকে বাচ্চা ইঁদুরের জন্ম দিয়ে সারাবিশ্বে হৈচৈ ফেলে দিয়েছিলেন চীনা বিজ্ঞানীরা। সমলিঙ্গের দুটি প্রাণের মধ্যে আরেকটি প্রাণ জন্ম দিতে জেনেটিক কোড ও ডিএনএ দরকার হয়। এরপর এই জিনের মধ্যে মিলন ঘটিয়ে পুরুষ ছাড়াই বাচ্চাদের জন্ম দেয় তারা।