| | | |
সংবাদ শিরোনামঃ
মুুক্তিযোদ্ধার জানাযা ও দাফনে বাধা প্রদানের প্রতিবাদে ভেড়ামারায় মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ তাড়াশে হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে জনগণকে সম্পৃক্ত করে কমিউনিটি সভা অনুষ্ঠিত মিরপুরে মাটি পরীক্ষায় ডিজিটাল সেন্সর ব্যবহারে প্রশিক্ষণ ও ডিভাইস বিতরণ ভেড়ামারায় বিয়ে করতে এসে জরিমানা গুনতে হলো বর কে ভেড়ামারায় আলহেরা মডেল একাডেমী স্কুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও মা সমাবেশ ভেড়ামারার পদ্মায় পানির তোড়ে ভেসে গেলো কৃষক ভেড়ামারায় গনধর্ষন/ ৪ দিন মৃত্যুর সাথে লড়ে হেরে গেলো তরুনী ভেড়ামারা থানা পুলিশের অভিযানে ৪০ পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ ২জন আসামি গ্রেফতার। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর সঙ্গে ঢাকাস্থ ভেড়ামারা সমিতির নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে বাবা-মা, দাদু আর একমাত্র ভাই সবাইকে হারিয়ে মহিমার চোখে কেবলই অন্ধকার/ আগুনে ছাই হয়ে গেল মহিমার সব স্বপ্ন
দৌলতপুরে ইউপি চেয়ারম্যান হত্যা মামলার আরো এক আসামি গ্রেপ্তার

দৌলতপুরে ইউপি চেয়ারম্যান হত্যা মামলার আরো এক আসামি গ্রেপ্তার

নাজমুল ইসলাম, দৌলতপুর :

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান নঈম উদ্দীন সেন্টু হত্যা মামলার আরো এক আসামি নাঈম হোসেনকে (২২) লক্ষীপুর সদর থেকে গ্রেপ্তার করেছে দৌলতপুর থানা পুলিশ। বুধবার দিবাগত রাত ৪ টার সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় লক্ষীপুর থেকে দৌলতপুরে নেওয়া হয় আসামিকে।

নাঈম দৌলতপুর উপজেলা ফিলিপনগর এলাকার মহসিন সর্দারের ছেলে। শুক্রবার সকালে তাকে কারাগারে পাঠানো হবে। এসময় আসামির রিমান্ড চাইবে পুলিশ। এবস তথ্য গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দৌলতপুর থানার পরিদর্শক তারেকুল হক।

এর আগে ১৪ অক্টোবর সোমবার রাতে পাবনার গোবিন্দপুর এলাকা থেকে মামলার প্রধান আসামি তরিকুল ইসলাম টুকুকে (৪৫) গ্রেপ্তার করে র‍্যাব।

নিহত সেন্টু ফিলিপনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি ওই এলাকার মৃত মতলেব সরকারের ছেলে।

গেল ৩০ সেপ্টেম্বর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব শত্রুতার জেরে নিজ কার্যালয়ে দুর্বৃত্তদের এলোপাতাড়ি গুলিতে মৃত্যু হয় সেন্টুর। এ ঘটনায় ১ অক্টোবর নিহতের ছেলে আহসান হাবীব বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। এতে টুকুকে হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ও প্রধান আসামি করে মামলায় ১০ জনের নাম উল্লেখসহ ৮ থেকে ১০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।

এ মামলার পলাতক আসামিরা হলেন, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর এলাকার সোহাগ হোসেন ওরফে গিট্টু (২২), রওশন (২৩), রাসেল (২৭), লালন (২৬), শামসের আলী গিট্টু (২৩), আল আমিন (২০), হিমেল (২৭) ও ইরাক (৩০)।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এক সময় সেন্টু উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ছিলেন। পরে স্থানীয় আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য আ ক ম সরোয়ার জাহানের সঙ্গে তাঁর সখ্য গড়ে উঠে। পরে বিএনপির রাজনীতিতে তিনি নিষ্ক্রিয় হয়ে যান।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন

Advertisement

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2024