উজ্জল হোসেন :
ক্রমশঃ জমে উঠেছে মোকারিমপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। নির্বাচনে ৪ জন চেয়ারম্যান প্রার্থীকে নিয়ে চুলছেরা বিচার বিশ্লেষন করছেন ভোটাররা। তারা আর ভুল করতে চান না। এবার সৎ যোগ্য এবং দায়িত্বশীল মানুষকেই নির্বাচিত করতে চান ভোটাররা। সে ক্ষেত্রে অনেকটাই এগিয়ে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোট বিভাগের আইনজীবি, মোকারিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম শ্যামলের ছোট ভাই, ক্লীন ইমেজের রাজনৈতিক এ্যাড. বুলবুল আবু সাঈদ শামীম। নির্বাচনে আনারস মার্কা প্রতীক নিয়ে তিনি লড়াই করছেন।
৯ টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত মোকারিমপুর ইউনিয়ন পরিষদ। এ ইউনিয়নে ভোট কেন্দ্র ১০টি। আগামী ১১ নভেম্বর অনুষ্টিত হবে নির্বাচন। নির্বাচন কে সামনে রেখে এ্যাড. বুলবুল আবু সাঈদ শামীম ভোটারদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করে ব্যাপক সমর্থন আদায় করেছেন। ইসলামপুর থেকে ক্ষেমিরদিয়াড় প্রতিটি ওয়ার্ডেই আনারস মার্কার এখন জয়জয়াকার।
এবারই প্রথম ভোটার হয়েছেন গোলাপনগর এলাকার নারী ভোটার শারমিন আক্তার। তিনি বলেন, এবারই আমার প্রথম ভোট। নির্বাচনে আমি ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে চাই। আমার প্রথম ভোট একজন সৎ, যোগ্য, দায়িত্বশীল এবং ক্লিন ইমেজের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে চায়। তিনি বলেন, এলাকায় রব উঠেছে, মানুষ এবার পরিবর্তনের পক্ষে। এমন একজন প্রার্থীকে এবার নির্বাচিত করবে যিনি দূর্নীতি রোধ কওে মোকারিমপুর ইউনিয়নে সুশাসন ফিরেয়ে আনতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে ক্লিন ইমেজের রাজনৈতিক আনারস মার্কার শামীম’র পক্ষেই ভোট উৎসব হবে।
বাগগাড়ীপুল গ্রামের ভোটাররা জানান, নির্বাচনে ৪ জন প্রার্থী লড়াই করছেন। ২ জন চেয়ারম্যান ছিলেন ইতোপূর্বে। আর ২ জন নতুন। পুরানো প্রার্থীদের তো সেবা দেখেছি। নতুন দেরকে একটু সুযোগ দিতে চাই।
এভাবে মোকারিমপুরের সকল ওয়ার্ডেই আনারস মার্কার ব্যাপক জনসমর্থন দেখা যাচ্ছে। অনেকেই বলেছেন, সব কিছু ঠিক ঠাক থাকে তাহলে ১১নভেম্বর ভোট বিপ্লব হয়ে বিজয় নিশ্চিত হতে পারে আনারস প্রতীকের।
এ্যাড. বুলবুল আবু সাঈদ বলেন, বাবা এবং ভাইয়ের দেখানো পথে আমি আমি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি। মোকারিমপুরের গনমানুষের অভিভাবক ছিলেন আমার পিতা ফজলুল হক চেয়ারম্যান এবং বড় ভাই রফিকুল ইসলাম শ্যামল। জনগন আমাদের সাথে অতীতেও ছিল এখনো আছে। মোকারিমপুর বাসীর সেবা করায় আমার জীবনের মূল লক্ষ্য। জনগনের সাথে আছি আগামীতেও জনগনের অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে লড়াই করে যাবো। তিনি বলেন, আমি যদি জনগনের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হতে পারি তাহলে সুন্দর এবং আধুনিক ইউনিয়ন হবে মোকারিমপুর। দূর্নীতি রোধ করে সুশাসন ফিরিয়ে আনবো ইনশাল্লাহ। জনগনের প্রাপ্য অধিকার বুঝিয়ে দিয়ে উন্নয়ন এবং শান্তির আবাসস্থল হবে মোকারিমপুর।