১০ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৬শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | সোমবার | বর্ষাকাল | রাত ৯:৪১
সংবাদ শিরোনামঃ
ভেড়ামারায় ‘মাদককে না’ বলে যুবদের মাঝে ফুটবল বিতরণ ঢাকাস্থ ভেড়ামারা সমিতির সদস্যদের জন্য সিমেক হেলথে অর্ধেক ছাড় ভেড়ামারা শহরের যানজট নিরসনে অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। কুষ্টিয়া-২ আসনের এমপি আব্দুল গফুরের উদ্যোগে অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইলচেয়ার বিতরণ পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধি / নদীভাঙনে বিলীন হওয়ার পথে ভেড়ামারার ফয়জুল্লাহপুর গ্রাম/ পরিদর্শনে জামায়াত নেতৃবৃন্দ কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় ছিনতাইয়ের শিকার ডিম ব্যবসায়ীকে জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় উপজেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে অর্থ সহায়তা প্রদান । রাজপথের লড়াকু সৈনিক মানবতার সেবক ভেড়ামারার স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা এসএস. আল হুসাইন সোহাগ কুষ্টিয়া-পাবনা মহাসড়কে হিমেল সীমান্ত ও ঈগল এক্সপ্রেসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক কুষ্টিয়া কৃষ্টির ষষ্ঠ সংখ্যা মোড়ক উন্মোচন/ কৃতি সাঁতারুদের নিয়ে বিশেষ সংখ্যা প্রকাশের উদ্যোগ! ভেড়ামারায় অসহায়, দুস্থ ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী উপহার দিল শিশু তাহমিদ ফাউন্ডেশন
খেজুর রসের স্বাদ উপভোগ করছেন ভেড়ামারাবাসি

খেজুর রসের স্বাদ উপভোগ করছেন ভেড়ামারাবাসি

আশিক মাহমুদ, ভেড়ামারা :
অগ্রহায়ণের হালকা কুয়াশাচ্ছন্ন সকাল, বাতাসে ঠান্ডা ঠান্ডা ভাব। তবে শীত এখনো জাঁকিয়ে বসেনি। এমন সময়ে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা সহ আশে পাশের এলাকা জুড়ে শুরু হয়ে গেছে গাছীদের খেজুরের রস সংগ্রহের কাজ।
আব্দুল খালেক একজন গাজী। তিনি নিয়মিত ভাবে খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। তার বাড়ি ভেড়ামারা উপজেলার ধরমপুর ইউনিয়ন এর উত্তর ভবানীপুর এলাকায়। নিজের কয়েকটি খেজুর গাছ সহ বাড়ির পিছনে কয়েকশো খেজুর গাছের রস সংগ্রহ করে বিক্রি করেন তিনি।
শীতকাল পুরো না নামতেই খেজুরের রস কীভাবে মিলল জানতে চাইলে গাছি আব্দুল খালেক বলেন, ‘এ বছর শীত আসতে তো এখনও দেরি। আগাম রস খুব মিষ্টি হচ্ছে তবে, সকালের থেকে সন্ধার রস বেশি মিষ্টি! মিষ্টি রসের ঘ্রাণের স্বাদ নিচ্ছেন ক্রেতারা।’
তিনি জানান, প্রতিবছর শীতকাল সামনে রেখে খেজুরের রস ও গুড় বিক্রি করে তিন মাসে যে আয় হয়, তা দিয়ে সংসারের খুঁটি নাটি খরচ চলে যায় তার। আব্দুল খালেক বলেন, খেজুরের রসের চাহিদা শীতেই বেশি। কিন্তু নিত্যপণ্যের দাম নাগালের বাইরে। তাই খানিকটা বাধ্য হয়ে এক মাস আগে থেকেই রস নামাতে শুরু করেছেন। গল্পে গল্পে জানালেন, ইউনিয়নের প্রায় ১০০টিরও বেশি খেজুরগাছ থেকে রস আহরণ করেন তিনি।
দৈনিক রোজগার কত! জানতে চাইতেই আব্দুল খালেক বলেন, ১০০টি গাছ এর মধ্যে থেকে ২/৩ দিন পরপর পালা করে রস নামানো হয়। সেই কারণে ৪০/৫০ টি গাছ থেকে রস নামানো হয়। প্রতিদিন আনুমানিক ৩০-৪০ লিটার রস নামছে। ১০ টাকা গ্লাস বা ৪০ টাকা লিটার হিসেবে বিক্রি করে প্রায় সকাল বিকাল মিলিয়ে ৬০০/৭০০ টাকার রস বিক্রি হয়। এছাড়াও বিক্রি না হওয়া রস জ্বালিয়ে গুড় বানিয়েও বিক্রি করেন তিনি। এ সময় তিনি আরো বলেন, ’আমার গুড়ে কেউ কোন ভেজাল প্রমাণ করতে পারলে দশ হাজার টাকা নগদ পুরস্কার প্রদান করবো আমি।’ তিন মাসে গড়ে ৭০/৮০ হাজার টাকা আয় করেন তিনি।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন

Advertisement

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2024