মোঃ উজ্জল হোসেন:
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় আতশবাজি ফোটানো কে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী হামলায় গুরুত্বর আহত হয়েছে বাহাদুরপুর ইউনিয়নের আড়কান্দি উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত নবীর উদ্দীনের পুত্র শফিউল ইসলাম এবং তার স্ত্রী আলফা কিন্ডার গার্ডেন স্কুলের সহকারী শিক্ষিকা পারুল খাতুন। তাদেরকে গুরুত্বর এবং রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ভর্তি করে স্থানীয়রা। এ বিষয়ে কুষ্টিয়ার বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছে পারুল খাতুন।
লিখিত অভিযোগে প্রকাশ, ভেড়ামারা উপজেলার আলফা কিন্ডার গার্টেন স্কুলের সহকারী শিক্ষিকা পারুল খাতুনের মামাতো দেবর লালন। ঈদের আগের দিন রাতে লালনের বাড়ির সামনের রাস্তায় আতশবাশি ফোটাতে ছিল ওই এলাকার সান্টু ইসলামের পুত্র বিপ্লব হোসেন। লালনের বৃদ্ধ মাতা গুরুত্বর অসুস্থ থাকায় আতশবাজির বিকট শব্দে সে আরো অসুস্থ পড়ে। এসময় লালন বিপ্লব কে নিষেধ করে আতশবাজি ফোটাতে। এতে ভিষন রাগান্বিত এবং ক্ষিপ্ত হয় হয় বিপ্লব। ঈদের দিন লালন বাহিরে এলে তাকে মারপিট করে বিপ্লব গং। এ ঘটনার পর থেকেই চরম উত্তেজনা বিরাজ করছিল এলাকায়। গত ১৭ মে ভোরে মামলার বাদী পারুল এবং তার স্বামী শফিউল পান বরজ থেকে ফেরার পথে ওত পেতে থাকা সন্ত্রাসী আশাদুল, মাহাবুল, শাহাবুল, শাহীন, নান্নু, রজব, শামীম , হামিদুল, ইমন, বিপ্লব, মেহেদী ধারালো এবং ভারী অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি হামলা এবং কুপাতে থাকে। এতে রক্তাক্ত জখম হয় স্বামী স্ত্রী দুজনই। এঘটনার পর তাদের ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে তাদের উদ্ধার করে ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করে। তাদের শরীরে একাধিক আঘাত এবং মাথায় সেলাই রয়েছে।
এ বিষয়ে কুষ্টিয়ার বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছে পারুল খাতুন।