১৩ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৯শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | বৃহস্পতিবার | বর্ষাকাল | সকাল ৬:০৮
সংবাদ শিরোনামঃ
ভেড়ামারায় এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ভেড়ামারায় ‘মাদককে না’ বলে যুবদের মাঝে ফুটবল বিতরণ ঢাকাস্থ ভেড়ামারা সমিতির সদস্যদের জন্য সিমেক হেলথে অর্ধেক ছাড় ভেড়ামারা শহরের যানজট নিরসনে অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। কুষ্টিয়া-২ আসনের এমপি আব্দুল গফুরের উদ্যোগে অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইলচেয়ার বিতরণ পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধি / নদীভাঙনে বিলীন হওয়ার পথে ভেড়ামারার ফয়জুল্লাহপুর গ্রাম/ পরিদর্শনে জামায়াত নেতৃবৃন্দ কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় ছিনতাইয়ের শিকার ডিম ব্যবসায়ীকে জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় উপজেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে অর্থ সহায়তা প্রদান । রাজপথের লড়াকু সৈনিক মানবতার সেবক ভেড়ামারার স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা এসএস. আল হুসাইন সোহাগ কুষ্টিয়া-পাবনা মহাসড়কে হিমেল সীমান্ত ও ঈগল এক্সপ্রেসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক কুষ্টিয়া কৃষ্টির ষষ্ঠ সংখ্যা মোড়ক উন্মোচন/ কৃতি সাঁতারুদের নিয়ে বিশেষ সংখ্যা প্রকাশের উদ্যোগ!
ভেড়ামারায় পদ্মা নদীর ভাঙ্গন রোধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবীতে মানববন্ধন

ভেড়ামারায় পদ্মা নদীর ভাঙ্গন রোধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবীতে মানববন্ধন

সরোয়ার হোসেন :
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পদ্মা নদীতে আবারও ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। বিগত এক সপ্তাহ ধরে উপজেলার বাহিরচর ইউনিয়নের মুন্সিপাড়া, ১২ মাইল টিকটিকিপাড়া ও মসলেমপুর গ্রামের প্রায় ৫ কি:মি: এলাকায় এই ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। ভাঙ্গনে হুমকির মুখে রয়েছে বসতবাড়ী, ফসলী মাঠ আর পদ্মা নদী রক্ষা পাউবোর বেড়িবাঁধ। আতঙ্ক আর ঝুঁকিতে রয়েছে তিন গ্রামের প্রায় আট হাজার মানুষ। গতকাল রবিবার সাকাল ১০ টায় নদী ভাঙ্গনে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা মুন্সিপাড়ার বাসিন্দারা পদ্মা নদীর তীরে মানববন্ধন করেছে। এসময় তারা তাদের পৈতৃক ভিটা রক্ষার্থে উপজেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। এ লক্ষ্যে তারা আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে অন্তত: জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধ করার আহবান জানান।
বাহিরচর ইউনিয়নের মুন্সিপাড়ার বাসিন্দা গিয়াস মুন্সি বলেন, ।গত সপ্তাহ থেকে পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয়েছে তীব্র ভাঙ্গন। এই ভাঙ্গনেও একরের পর একর কৃষি জমি বিলীন হয়েছে। বাহিরচর ইউনিয়নের মুন্সিপাড়া, ১২ মাইল টিকটিকিপাড়া ও মসলেমপুরের এই তিন গ্রামের প্রায় ৫কি:মি: এলাকায় এই ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। ভাঙ্গন আতঙ্কে রয়েছে ৩ গ্রামের প্রায় ৮ হাজার মানুষ।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী আনোয়ার আলী বলেন, বসতভিটা বাদে অনেকেই সব হারিয়ে ফেলেছে। তাই প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছে জোর দাবি, বিভিন্ন নিয়ম-নীতির বেড়াজালে না থেকে, দ্রুত ভাঙ্গন রোদে ব্যবস্থা নিন।
ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রফিকুল ইসলাম বলেন, নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছি। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসীও আমাদের কাছে একটি আবেদন দিয়েছে। সেটি পানি উন্নয়ন বোর্ড বরাবর পাঠানো হয়েছে। তাদের সাথে কথা বলেছি, দ্রুতই তারা ব্যবস্থা নেবে বলে আশ্বস্ত করেছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন

Advertisement

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2024