মাহমুদ শরীফ, কুমারখালী :
কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর অধ্যাপক আবুল হাশেম বলেছেন, ইনসাফ ভিত্তিক মানবতার কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনে এগিয়ে আসুন। জাতির ভাগ্যের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক চাকা ঘুরিয়ে দিয়ে জাতির কপাল থেকে দায়-দেনার বোঝা সরাতে জামায়াতের নেতা-কর্মীদের অবশ্যই দায়িত্ব নিতে হবে। জামায়াতের নেতা-কর্মী আর অন্যান্য দলের নেতা-কর্মী এক নয়,জামায়াতের নেতাকর্মীদের শান্তিময় সমাজ গঠনে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, নির্ভেজাল কর্মী হতে শরিয়ত বিরোধী সকল কাজ পরিহার করে সঠিক মুসলিম হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। আগামীতে সকল বিভেদ ভুলে গিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।
ছাত্র জনতার বিপ্লব কে নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে উল্লেখ করে আবুল হাশেম আরো বলেন, এই বিপ্লব বিপন্ন হলে এমন এক অমানিষার অন্ধকারে ডুবতে হবে, যা থেকে বের হওয়ার হয় তো পথ খুঁজে পাওয়া যাবেনা। তিনি বলেন, এমন একজন ব্যক্তিকে উপদেষ্টা নিয়োগ করা হয়েছে, যিনি সমকামীতাকে প্রমোট করেছে,ছাত্র জনতার আন্দেলনেবিরোধীতা করেছে। এই চলচিত্র নির্মাতা মস্তফা সরোয়ার ফারুকীর মত অশিক্ষিতকে অবিলম্বে সরিয়ে দিতে হবে। কেননা, এতে অন্তরে রক্ত ক্ষরণ হচ্ছে।
কুমারখালী পৌর জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ১৫ নভেম্বর শুক্রবার সকালে কুমারখালী পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে এই কর্মী সন্মেলনে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের জেল, জুলুম, নির্যাতন ও বাধার কারনে ১৭ বছর পর কুমারখালীতে বাংলাদশে জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো।
উক্ত কর্মী সম্মেলেনে পৌর জামায়াতে ইসলামীর আমীর এ্যাড. রবিউল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে সূরা সদস্য অধ্যাপ কফরহাদ হুসাইন, জেলা জামায়াতে ইসলামীর অর্থ সম্পাদক কামারুজ্জামান মিয়া, কুমারখালী উপজেলা জামায়াতে আমীর আফতাবউদ্দীন এবং কুমারখালী উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো: আফজাল হুসাইন।
বনি আমিনের পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন,বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবিরের কুষ্টিয়া জেলা সভাপতিইমরান হোসাইন ও কুমারখালী উপজেলা সভাপতি ইসরাইল হোসেন।
দীর্ঘ ১৭ বছর পর সম্মেলন আয়োজন করায় স্থানীয় জামায়াত নেতা কর্মীদের মধ্যে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা আনন্দ উৎসবের আমেজ লক্ষ্য করা গেছে। সম্মেলন শেষেবর্নাঢ্য র্যালী বেরকরা হয়। পাবলিকলাইব্রেরী থেকে র্যালিটি বেরহয়েশহরেরপ্রধানসড়কপ্রদক্ ষিণকরে।