আশিক মাহমুদ :
নজিরবিহীন বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন’র স্বাক্ষী হলো ভেড়ামারাবাসী। ওজোপাডিকো এবং পল্লী বিদ্যুৎ একযোগে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে উন্নয়ন কাজ চালায়। ৮ঘন্টার স্থলে প্রআয় ১২ ঘন্টা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকায় জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠে।
সূত্র জানায়, শুক্রবার বিদ্যুৎ বিভাগ নামকাওয়াস্তে মাইকিং করে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন’র ঘোষণা দেয়। শনিবার সকাল ৮টায় ভেড়ামারা শহর ও গ্রাম পর্যায়ের সকল প্রকার বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেওয়া হয়।
জানা যায়, ভেড়ামারা সাব স্টেশন ও বড়-বড় বৈদ্যুতিক খুঁটির বৈদ্যুতিক উন্নয়নের জন্য সকাল ৮ টায় বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করা হয়। যা প্রায় সন্ধ্যা ৮-টায়(৭:৪৫)-এ পুনঃসংযোগ দেয়া হয়। স্থানীয়দের দাবী, বিদ্যুৎ লাইন উন্নয়নের জন্য অসংখ্যবার লাইনে কাজ হয়েছে। কিন্তু কোন দিনই এক টানা প্রায় ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন’র ঘটনা একেবারেই নজিরবিহীন। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকায় ব্যাপক প্রভাব পড়েছে সাধারণ জনগন ও ব্যবসায়ী মহলের মধ্যে। সকালে বাজারে আগত এক ক্রেতা এসেছিলেন গ্যাস সিলিন্ডার কিনতে। সাংবাদিক দেখে তিনি বললেন, ভাই শেষ কবে যে গ্যাসের চুলায় রান্না বসিয়েছে আমার গিন্নি তা মনে নেই। ইলেকট্রিক চুলাতেই রান্না করে আমার স্ত্রী। আজ তো সারাদিন বিদ্যুৎ থাকবেনা তাই সিলিন্ডার কিনলাম, নাহলে আজ দুপুরে খাওয়া হবে না।
সন্ধায় ভেড়ামারার মুদি ব্যবসায়ী পিকলু বলেন, আজ সারাদিন বিদ্যুৎ ছিলো না। আমার বৈদ্যুতিক কেজি স্কেল এর ব্যাটারি শেষ হয় দুপুরে। পরে পাশের দোকান থেকে ওজন করে পণ্য বিক্রি করতে হয়েছে ক্রেতাদের কাছে।
গৃহিণী মোছা: জাহানে গুলশান এর দাবি, বিদ্যুতের সাথে সাধারণ মানুষের জনজীবন অভ্যস্ত। হঠাৎ এতো সময়ের জন্যে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতার মুখোমুখি এই প্রথম, একটু তো সমস্যা হবেই।
ভেড়ামারা পৌর মার্কেটের সেক্রেটারি সোহরাব শাহীন বলেন, সাময়িক অসুবিধা কোন ব্যাপার না। ত্রুটি সংশোধনের মধ্য দিয়ে যেনো আমাদের বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা উন্নত হয় এই দাবি আমাদের সাধারণ জনগণের।