সরোয়ার হোসেন :
কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান, ভেড়ামারা পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি, বিশিষ্ট রাজনৈতিক আবু হেনা মোস্তফা কামাল মুকুল বলেছেন, রাজনৈতিক কারনে কুষ্টিয়া-২ আসন অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ন। কিন্তু এ আসনে আওয়ামীলীগের প্রতিনিধি নেই। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুযোগ হয়েছে আওয়ামীলীগের প্রতিনিধি নির্বাচিত করার। আগামী ৭ জানুয়ারী সারাদিন আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী কামারুল আরেফিন’র ট্রাক মার্কায় ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার মাধ্যমে শেখ হাসিনার হাত কে শক্তিশালী করতে হবে। তবেই অবসান ঘটবে এতদাঞ্চলের জুলুম নির্যাতনের। চরম প্রতিশোধ নেওয়া হবে আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের হত্যার। আবু হেনা মোস্তফা কামাল মুকুল সোমবার কুষ্টিয়ার বহুল প্রচারিত সাপ্তাহিক কুষ্টিয়ার মুখ পত্রিকার একান্ত এক সাক্ষাতকারে উপরোক্ত কথা গুলো বলেন। তিনি আরো বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমরা প্রার্থী হতে পারিনা। প্রধানমন্ত্রীর দোয়া এবং দয়ায় এ নির্বাচনে আমাদের প্রার্থী দিতে পেরেছি। কামারুল আরেফিন আমাদের যোগ্য প্রার্থী। এ নির্বাচনে তার বিজয় নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, আওয়ামীলীগের কতিপয় নেতা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে নৌকা আওয়ামীলীগের। নৌকা যেখানে আমরা সেখানে ভোট দেবো। কিন্তু আমি বলি, নৌকা আমাদের হলেও এ আসনে নৌকার মাঝি জাসদের। এখন মাঝি পরিবর্তনের সময় এসেছে। যত ভালো নৌকায় দেন না কেন, মাঝি ছাড়া নৌকা চলবে না। আমরা গত ১৫ বছর এই মাঝির দ্বারা নির্যাতিত, নিস্পেষিত। এই মাঝি ভোট নেয় আর চলে যায়। যাওয়ার সময় বলে যাই স্বপন কে রেখে গেলাম। আর আমাদের নতুন মাঝি কামারুল আরেফিন নির্বাচিত হওয়ার পর বলবে, ছানা কে রেখে গেলাম, মুকুল কে রেখে গেলাম, ফারুক কাউন্সিলর কে রেখে গেলাম। উনারা নৌকায় ভোট দেন একবার। উনাদের প্রয়োজনে। আর আমরা নৌকায় ভোট দিই ৪ বার। ইউনিয়ন পরিষদে, পৌরসভায়, উপজেলায় এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। এখন সময় এসেছে আমাদের অধিকার বুঝে নেওয়ার। এজন্যই আমাদের প্রার্থী কামারুল আরেফিন’র ট্রাক মার্কায় ভোট দিয়ে বিজয়ী করতে হবে।