| | | |
সংবাদ শিরোনামঃ
মুুক্তিযোদ্ধার জানাযা ও দাফনে বাধা প্রদানের প্রতিবাদে ভেড়ামারায় মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ তাড়াশে হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে জনগণকে সম্পৃক্ত করে কমিউনিটি সভা অনুষ্ঠিত মিরপুরে মাটি পরীক্ষায় ডিজিটাল সেন্সর ব্যবহারে প্রশিক্ষণ ও ডিভাইস বিতরণ ভেড়ামারায় বিয়ে করতে এসে জরিমানা গুনতে হলো বর কে ভেড়ামারায় আলহেরা মডেল একাডেমী স্কুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও মা সমাবেশ ভেড়ামারার পদ্মায় পানির তোড়ে ভেসে গেলো কৃষক ভেড়ামারায় গনধর্ষন/ ৪ দিন মৃত্যুর সাথে লড়ে হেরে গেলো তরুনী ভেড়ামারা থানা পুলিশের অভিযানে ৪০ পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ ২জন আসামি গ্রেফতার। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর সঙ্গে ঢাকাস্থ ভেড়ামারা সমিতির নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে বাবা-মা, দাদু আর একমাত্র ভাই সবাইকে হারিয়ে মহিমার চোখে কেবলই অন্ধকার/ আগুনে ছাই হয়ে গেল মহিমার সব স্বপ্ন
খেজুর রসের স্বাদ উপভোগ করছেন ভেড়ামারাবাসি

খেজুর রসের স্বাদ উপভোগ করছেন ভেড়ামারাবাসি

আশিক মাহমুদ, ভেড়ামারা :
অগ্রহায়ণের হালকা কুয়াশাচ্ছন্ন সকাল, বাতাসে ঠান্ডা ঠান্ডা ভাব। তবে শীত এখনো জাঁকিয়ে বসেনি। এমন সময়ে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা সহ আশে পাশের এলাকা জুড়ে শুরু হয়ে গেছে গাছীদের খেজুরের রস সংগ্রহের কাজ।
আব্দুল খালেক একজন গাজী। তিনি নিয়মিত ভাবে খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। তার বাড়ি ভেড়ামারা উপজেলার ধরমপুর ইউনিয়ন এর উত্তর ভবানীপুর এলাকায়। নিজের কয়েকটি খেজুর গাছ সহ বাড়ির পিছনে কয়েকশো খেজুর গাছের রস সংগ্রহ করে বিক্রি করেন তিনি।
শীতকাল পুরো না নামতেই খেজুরের রস কীভাবে মিলল জানতে চাইলে গাছি আব্দুল খালেক বলেন, ‘এ বছর শীত আসতে তো এখনও দেরি। আগাম রস খুব মিষ্টি হচ্ছে তবে, সকালের থেকে সন্ধার রস বেশি মিষ্টি! মিষ্টি রসের ঘ্রাণের স্বাদ নিচ্ছেন ক্রেতারা।’
তিনি জানান, প্রতিবছর শীতকাল সামনে রেখে খেজুরের রস ও গুড় বিক্রি করে তিন মাসে যে আয় হয়, তা দিয়ে সংসারের খুঁটি নাটি খরচ চলে যায় তার। আব্দুল খালেক বলেন, খেজুরের রসের চাহিদা শীতেই বেশি। কিন্তু নিত্যপণ্যের দাম নাগালের বাইরে। তাই খানিকটা বাধ্য হয়ে এক মাস আগে থেকেই রস নামাতে শুরু করেছেন। গল্পে গল্পে জানালেন, ইউনিয়নের প্রায় ১০০টিরও বেশি খেজুরগাছ থেকে রস আহরণ করেন তিনি।
দৈনিক রোজগার কত! জানতে চাইতেই আব্দুল খালেক বলেন, ১০০টি গাছ এর মধ্যে থেকে ২/৩ দিন পরপর পালা করে রস নামানো হয়। সেই কারণে ৪০/৫০ টি গাছ থেকে রস নামানো হয়। প্রতিদিন আনুমানিক ৩০-৪০ লিটার রস নামছে। ১০ টাকা গ্লাস বা ৪০ টাকা লিটার হিসেবে বিক্রি করে প্রায় সকাল বিকাল মিলিয়ে ৬০০/৭০০ টাকার রস বিক্রি হয়। এছাড়াও বিক্রি না হওয়া রস জ্বালিয়ে গুড় বানিয়েও বিক্রি করেন তিনি। এ সময় তিনি আরো বলেন, ’আমার গুড়ে কেউ কোন ভেজাল প্রমাণ করতে পারলে দশ হাজার টাকা নগদ পুরস্কার প্রদান করবো আমি।’ তিন মাসে গড়ে ৭০/৮০ হাজার টাকা আয় করেন তিনি।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন

Advertisement

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2024