রাজু আহমেদ :
কুষ্টিয়া ছয় রাস্তার মোড় কিরণ টাওয়ারের নির্মাণাধীন কাজে অপ্রাপ্ত তরুণ কে দিয়ে কাজ করাতে গেলে ৪৪০ ভোল্ট বিদ্যুৎ লাইনে শট খেয়ে অল্পের জন্য বেঁচে
যাই ওই শ্রমিক সহ আরো একজন শ্রমিক।
১১ই অক্টোবর ২০২৫ শনিবার সকাল ৮টার পর কুষ্টিয়া ছয় রাস্তার মোড় কিরণ টাওয়ারের নির্মাণাধীন কাজে দুইজন শ্রমিক ৪৪০ ভোল্ট বিদ্যুৎ লাইনে শট খেয়ে
একতলা থেকে নিচে পড়ে গেলে তাদেরকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয় ।
আহতরা হলেন মজিবরের ছেলে ১)মোঃ বাবু ( ২০)দেশের বাড়ি কুড়িগ্রাম । ২)মোঃ শাহিনের ছেলে রাশেদ (১৭) বাড়ি কুষ্টিয়া খোকসা থানা ওসমানপুর ইউনিয়ন কমরভোগ গ্রামে।
আহত বাবুর সাথে কথা হলে
তিনি জানান কাজের প্রায় শেষ মুহূর্তে এক তালার উপর থেকে তাদের কাজের সরঞ্জাম গোছানোর সময় হাতে থাকা পাট্টা যেয়ে ফোর ফট্টি বিদ্যুতের তারে স্পর্শ হলে
শট খেয়ে সেখান থেকে সিটকে নিচে পড়ে যায় । সেই মুহূর্তে অন্যান্য শ্রমিকরা এসে তাদেরকে ধরে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন তবে তাদের গায়ে কোন সেফটি সরঞ্জাম ছিল না বলে তারা জানান!
আহত রাশেদের খোঁজ নিতে গেলে সেখানে যেয়ে দেখা যায় তিনি ঘুমিয়ে ছিলেন ঘুমন্ত ছেলেটিকে দেখে বোঝা গেল তার কাজ করার মত বয়সই হয়নি পাশেই তার বাবা শাহীনকে জিজ্ঞাসা করা হলে ছেলেটির বয়স কত তিনি বলেন ছেলের বয়স ১৬ থেকে ১৭ ।
এ সময় অন্যান্য শ্রমিকদের মধ্যে একজন কথা বলেন যে তাদের কে দূরত্ব হাসপাতলে নেওয়ার কারণে দুজনার প্রাণ বেঁচে যায় তবে এই কাজের ফরম্যানের সাথে ফোন আলাপ করতে গেলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নাই এবং ওই কাজের ঠিকাদার এরশাদকে ফোন দিলে তিনি জানান অপ্রাপ্তবয়স্ক আপনি কিভাবে জানলেন?
এ বিষয়টা তার বাবাই জানিয়েছেন বলে তাকে জানানো হয়।
কাজের সেফটি সরঞ্জাম এর বিষয়ে কথা বলতে গেলে তিনি ফোন কেটে দেন।
এই দুর্ঘটনায় যদি দুজনের প্রাণ চলে যেতো তাহলে ওই ঠিকাদার এরশাদ কি প্রাণ ফিরিয়ে দিতে পারতো এটাই সাধারণ জনগণের প্রশ্ন ?