| | | |
সংবাদ শিরোনামঃ
মুুক্তিযোদ্ধার জানাযা ও দাফনে বাধা প্রদানের প্রতিবাদে ভেড়ামারায় মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ তাড়াশে হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে জনগণকে সম্পৃক্ত করে কমিউনিটি সভা অনুষ্ঠিত মিরপুরে মাটি পরীক্ষায় ডিজিটাল সেন্সর ব্যবহারে প্রশিক্ষণ ও ডিভাইস বিতরণ ভেড়ামারায় বিয়ে করতে এসে জরিমানা গুনতে হলো বর কে ভেড়ামারায় আলহেরা মডেল একাডেমী স্কুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও মা সমাবেশ ভেড়ামারার পদ্মায় পানির তোড়ে ভেসে গেলো কৃষক ভেড়ামারায় গনধর্ষন/ ৪ দিন মৃত্যুর সাথে লড়ে হেরে গেলো তরুনী ভেড়ামারা থানা পুলিশের অভিযানে ৪০ পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ ২জন আসামি গ্রেফতার। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর সঙ্গে ঢাকাস্থ ভেড়ামারা সমিতির নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে বাবা-মা, দাদু আর একমাত্র ভাই সবাইকে হারিয়ে মহিমার চোখে কেবলই অন্ধকার/ আগুনে ছাই হয়ে গেল মহিমার সব স্বপ্ন
সৌমেন কুমার রায়ের স্বীকারোক্তি, কারাগারে প্রেরণ

সৌমেন কুমার রায়ের স্বীকারোক্তি, কারাগারে প্রেরণ

শাহীন আলম লিটন :

কুষ্টিয়ায় প্রকাশ্যে গুলি করে মা, ছেলেসহ তিনজনকে হত্যার আসামি পুলিশের এএসআই সৌমেন কুমার রায় আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের বিচারক এনামুল হক ১৬৪ ধারায় সৌমেন রায়ের জবানবন্দি গ্রহণ করেন।

সোমবার (১৪ জুন) স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি শেষে বিকেলে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত থেকে হেলমেট পরিয়ে তাকে কারাগারে নেয় পুলিশ। তবে, পুলিশ সংবাদমাধ্যমের সাথে কোনো কথা বলেনি।

আদালতের পেশকার এম এ আলিম বলেন, জবানবন্দিতে সৌমেন কুমার রায় হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। স্ত্রীর অন্য পুরুষের সাথে অবৈধ সম্পর্কের জেরে তিনি এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। এ নিয়ে সৌমেন দু:খ প্রকাশও করেন।

এদিকে কুষ্টিয়া আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট অনুপ কুমার নন্দী সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, পরকিয়া সম্পর্কের কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন উল্লেখ করে আসামি জবানবন্দিতে খুনের কথা স্বীকার করেছেন।

এর আগে বেলা দেড়টায় কড়া পাহারায় পুলিশ তাকে কুষ্টিয়ার আদালতে নিয়ে আসে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মডেল থানার ওসি তদন্ত নিশিকান্ত সরকার বলেন, নিহত আসমার মা হাসিনা খাতুনের দায়ের করা মামলায় আদালতে আসামিদের ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী গ্রহণের আবেদন করেন।

এর আগে সোমবার (১৪ জুন) দুপুরে জানাযা শেষে নিহত আসমা ও তার শিশু ছেলে রবিনকে নিজ বাড়ি কুমারখালী উপজেলার নাতুড়িয়া গ্রামে ও শাকিল খানকে চাপড়া ইউনিয়নের সাওতা গ্রামে দাফন করা হয়েছে। এসময় সেখানে হৃদয় বিদারক পরিবেশের সৃষ্টি হয়। ঘটনার পর গ্রেপ্তারকৃত পুলিশের এএসআই সৌমেন কুমার রায়কে বরখাস্ত করা হয়। এছাড়াও পুলিশ এই ঘটনা তদন্তে আলাদা দু’টি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন।

এর আগে, গতকাল রোববার (১৩ জুন) কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়কের পাশে শহরের পিটিআই সড়কের মুখে আসমা, শাকিল ও রবিনকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করে সৌমেন।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন

Advertisement

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2024