| | | |
সংবাদ শিরোনামঃ
মুুক্তিযোদ্ধার জানাযা ও দাফনে বাধা প্রদানের প্রতিবাদে ভেড়ামারায় মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ তাড়াশে হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে জনগণকে সম্পৃক্ত করে কমিউনিটি সভা অনুষ্ঠিত মিরপুরে মাটি পরীক্ষায় ডিজিটাল সেন্সর ব্যবহারে প্রশিক্ষণ ও ডিভাইস বিতরণ ভেড়ামারায় বিয়ে করতে এসে জরিমানা গুনতে হলো বর কে ভেড়ামারায় আলহেরা মডেল একাডেমী স্কুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও মা সমাবেশ ভেড়ামারার পদ্মায় পানির তোড়ে ভেসে গেলো কৃষক ভেড়ামারায় গনধর্ষন/ ৪ দিন মৃত্যুর সাথে লড়ে হেরে গেলো তরুনী ভেড়ামারা থানা পুলিশের অভিযানে ৪০ পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ ২জন আসামি গ্রেফতার। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর সঙ্গে ঢাকাস্থ ভেড়ামারা সমিতির নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে বাবা-মা, দাদু আর একমাত্র ভাই সবাইকে হারিয়ে মহিমার চোখে কেবলই অন্ধকার/ আগুনে ছাই হয়ে গেল মহিমার সব স্বপ্ন
যুদ্ধের মধ্যে ছেলেটির গায়ে ইউক্রেনের, মেয়েটির গায়ে রাশিয়ার পতাকা কেন?

যুদ্ধের মধ্যে ছেলেটির গায়ে ইউক্রেনের, মেয়েটির গায়ে রাশিয়ার পতাকা কেন?

ছেলেটির শরীর ইউক্রেনের পতাকায় আবৃত। মেয়েটির গায়ে রাশিয়ার পতাকা। তারা পরস্পরকে জড়িয়ে ধরছে। ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণ এবং দুই দেশের মধ্যে চলমান সামরিক সংঘাতের পটভূমিতে এমন একটি ছবি নিশ্চয়ই বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

হ্যাঁ, ঠিক এমনই একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। বিশ্বের অনেক নামিদামি এবং প্রভাবশালী ব্যক্তি ছবিটি শেয়ার করছেন। ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার প্রেক্ষিতে ছবিটি নতুন করে জনপ্রিয়তা পেলেও জানা গেছে এই ছবিটি প্রকৃতপক্ষে প্রায় আড়াই বছর আগের। ছবিটি তখনই ব্যাপক ভাইরাল হয়েছিল।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী পত্রিকা ওয়াশিংটন পোস্ট এই ছবিটি নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল।
ওই প্রতিবেদন থেকে জানা যায়- ছবির রাশিয়ান মেয়েটির নাম জুলিয়ানা কুজনেতসোভা। ইউক্রেনের ছেলেটির সাথে তার বিয়ে ঠিকঠাক। হবু বরকে সাথে নিয়ে জুলিয়ানা পোল্যান্ডে বেলারুশের র‍্যাপার ম্যাক্স কর্জের কনসার্ট দেখতে গিয়েছিল। ওই কনসার্ট থেকে বেরিয়ে তারা দু’জন ছবিটি তুলেছিল।

জুলিয়ানার ভাষায়ঃ আমি দেখতে পেলাম, ভীড়ের মধ্যে অনেক দেশের পতাকা বিক্রি করা হচ্ছে। তা দেখে আমার মাথায় একটা ‘আইডিয়া’ এলো। আমরা দুই দেশের পতাকা কিনে গায়ে জড়িয়ে একজনকে বললাম আমাদের একটা ছবি তুলে দিন।

জুলিয়ানা বলছিলঃ ছবিটি তোলার পেছনে আমাদের কোন ধরনের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল না। কিন্তু ছবিটি ইন্টারনেটে আলোর বেগে ছড়িয়ে পড়ে। ছবিটি ভাইরাল হওয়ার পর আমরা ভালো-খারাপ সবরকম মন্তব্যই পাচ্ছিলাম। কিন্তু, তখনই আমি বুঝতে পারলাম, এরকম একটা ছবি হয়তো মানুষকে এই আশা দিতে পারে যে, যাই হোক না কেন সবকিছুই ভালো হতে পারে, ভালোবাসা সবকিছুকে জয় করতে পারে।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন

Advertisement

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2024