| | | |
সংবাদ শিরোনামঃ
মুুক্তিযোদ্ধার জানাযা ও দাফনে বাধা প্রদানের প্রতিবাদে ভেড়ামারায় মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ তাড়াশে হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে জনগণকে সম্পৃক্ত করে কমিউনিটি সভা অনুষ্ঠিত মিরপুরে মাটি পরীক্ষায় ডিজিটাল সেন্সর ব্যবহারে প্রশিক্ষণ ও ডিভাইস বিতরণ ভেড়ামারায় বিয়ে করতে এসে জরিমানা গুনতে হলো বর কে ভেড়ামারায় আলহেরা মডেল একাডেমী স্কুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও মা সমাবেশ ভেড়ামারার পদ্মায় পানির তোড়ে ভেসে গেলো কৃষক ভেড়ামারায় গনধর্ষন/ ৪ দিন মৃত্যুর সাথে লড়ে হেরে গেলো তরুনী ভেড়ামারা থানা পুলিশের অভিযানে ৪০ পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ ২জন আসামি গ্রেফতার। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর সঙ্গে ঢাকাস্থ ভেড়ামারা সমিতির নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে বাবা-মা, দাদু আর একমাত্র ভাই সবাইকে হারিয়ে মহিমার চোখে কেবলই অন্ধকার/ আগুনে ছাই হয়ে গেল মহিমার সব স্বপ্ন
ভেড়ামারায় আওয়ামীলীগের মনোনয়ন চান সাবেক চেয়ারম্যান সোহেল রানা পবন

ভেড়ামারায় আওয়ামীলীগের মনোনয়ন চান সাবেক চেয়ারম্যান সোহেল রানা পবন

নোমান জহির রাজা :
দ্বিতীয় দফা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন চান কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার বাহাদুরপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সোহেল রানা পবন। দলীয় নেতাকর্মী এবং সাধারন ভোটাররা মনে করেন, দল এবং দলের তৃনমূল নেতৃবৃন্দ, সহযোগী ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং সাধারন ভোটাররা বিগত দিনের মতো তার সাথেই রয়েছেন। বাবার মত তিনিও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের কান্ডারী। একমাত্র সোহেল রানা পবন কেই মনোনয়ন দিলে জাসদ মনোনিত চেয়ারম্যানের কাছ থেকে বিজয় ছিনিয়ে নিয়ে এ ইউনিয়নটি আওয়ামীলীগ পূর্নরুদ্ধার করতে পারে।
২০১১ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে খুব কম বয়সে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন সোহেল রানা পবন। বাবা আব্দুর রাজ্জাক ছিলেন ৬ বার নির্বাচিত চেয়ারম্যান। পরে তিনি ভেড়ামারা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানও নির্বাচিত হন। বাবার হাত ধরেই আওয়ামী রাজনীতিতে প্রবেশ করে সোহেল রানা পবন। রাজনৈতিক কর্মকান্ড দিয়ে তিনি ভেড়ামারা উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি পদেও অধিষ্ঠিত হন। আওয়ামী রাজনীতি ছিল তার প্রান। দলীয় কর্মকান্ড এবং ইউনিয়ন বাসীর সব বিপদে সব সময় পাশে থেকে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। ২০১৬ সালের নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন। সমালোচিত ওই নির্বাচনে তাকে ষড়যন্তমুলক ভাবে পরাজিত করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।
কুচিয়ামোড়া শিশু নিকেতন’র অধ্যক্ষ আখতারুজ্জামান মুক্তার জানিয়েছেন, ওই নির্বাচনে পরাজয়ের পর থেকেই নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন সোহেল রানা পবন। জনগনের পাশে থেকেছেন সব সময়। কিছুদিন পরেই উপজেলা পরিষদ নির্বাচন শুরু হলে তার ছোট ভাই বুলবুল হাসান পিপুল কে ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী করেন। ওই নির্বাচনে ব্যাপক জনসমর্থন জানান বাহাদুরপুর ইউনিয়নের মানুষ। বিপুল ভোটে ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন বুলবুল হাসান পিপুল। যার প্রায় ৮০ ভাগ ভোট আসে শুধু বাহাদুরপুর ইউনিয়ন থেকেই। বলা হয়, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ষড়যন্তমুলক পরাজয়ের জবাব দিতে গিয়েই মানুষ অকুন্ঠ সমর্থন জানিয়ে সোহেল রানা পবনের ছোট ভাই কে বিজয়ী করে। বাহাদুরপুরের মানুষ আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সোহেল রানা পবন কে ভোট দিয়ে বিজয়ী করার জন্য মুখিয়ে আছে সাধারন ভোটাররা।
সাধারন ভোটাররা বলেন, আব্দুর রাজ্জাক চেয়ারম্যানের পরিবার বাহাদুরপুর ইউনিয়নবাসীর জন্য নিবেদিত প্রান। এ পরিবার থেকে যিনিই নির্বাচনে অংশ নিবেন, তিনিই বিজয়ী হবেন। বাবার মৃত্যুর পর তাঁর যোগ্য উত্তরসূরী হয়ে জনগনের পাশে আছেন তার মেজ ছেলে, দানবীর আলহাজ¦ রুবেল মাহমুদ রতন, সাবেক চেয়ারম্যান সোহেল রানা পবন, ভেড়ামারা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান বুলবুল হাসান পিপুল।
বাহাদুরপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সোহেল রানা পবন বলেন, বাবার হাত ধরেই আওয়ামী রাজনীতি শুরু করেছি। দলীয় সকল কর্মকান্ডে অংশ নিয়ে দলকে শক্তিশালি করেছি। বাহাদুরপুরের প্রতিটি কর্মী এবং সাধারন ভোটারা জানে আওয়ামী রাজনীতি আমার বা আমাদের পরিবারের প্রানের সাথে মিশে আছে। তিনি বলেন, আমিই বাহাদুরপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের কান্ডারী হয়েছিলাম এবং কান্ডারী হয়েই থাকবো। আগামী নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন আমিই পাবো। এবং দলীয় হাইকমান্ডের নির্দেশে মোটরসাইকেল শো-ডাউন করে কর্মীদের চাঙ্গা করেছি। তিনি বলেন, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমাকে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন দেওয়া হলে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং আমার প্রিয় লিডার মাহাবুব-উল-আলম হানিফকে বাহাদুরপুর ইউনিয়ন উপহার দেবো।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন

Advertisement

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2024