| | | |
সংবাদ শিরোনামঃ
মুুক্তিযোদ্ধার জানাযা ও দাফনে বাধা প্রদানের প্রতিবাদে ভেড়ামারায় মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ তাড়াশে হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে জনগণকে সম্পৃক্ত করে কমিউনিটি সভা অনুষ্ঠিত মিরপুরে মাটি পরীক্ষায় ডিজিটাল সেন্সর ব্যবহারে প্রশিক্ষণ ও ডিভাইস বিতরণ ভেড়ামারায় বিয়ে করতে এসে জরিমানা গুনতে হলো বর কে ভেড়ামারায় আলহেরা মডেল একাডেমী স্কুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও মা সমাবেশ ভেড়ামারার পদ্মায় পানির তোড়ে ভেসে গেলো কৃষক ভেড়ামারায় গনধর্ষন/ ৪ দিন মৃত্যুর সাথে লড়ে হেরে গেলো তরুনী ভেড়ামারা থানা পুলিশের অভিযানে ৪০ পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ ২জন আসামি গ্রেফতার। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর সঙ্গে ঢাকাস্থ ভেড়ামারা সমিতির নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে বাবা-মা, দাদু আর একমাত্র ভাই সবাইকে হারিয়ে মহিমার চোখে কেবলই অন্ধকার/ আগুনে ছাই হয়ে গেল মহিমার সব স্বপ্ন
ভেড়ামারা ইটভাটা মালিক শ্রমিকদের বিক্ষোভ মিছিল স্মারকলিপি প্রদান

ভেড়ামারা ইটভাটা মালিক শ্রমিকদের বিক্ষোভ মিছিল স্মারকলিপি প্রদান

শাহ্ জামাল ভেড়ামারা :
ভেড়ামারায় ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালত ও ভাটা বন্ধ না করার জন্য মালিক শ্রমিকদের বিক্ষোভ মিছিল ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন।

আজ ৪ মার্চ মঙ্গলবার সকাল ১২ টার সময় কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা বাসষ্টান্ডে শ্রমিক ও ভাটা মালিকরা জড়ো হতে থাকেন পরে মালিক শ্রমিকরা একত্রিত হয়ে বিশাল এক বিক্ষোভ মিছিল বের করেন মিছিলটি শহর প্রদক্ষিণ করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা ডঃ মোহাম্মদ ইউনুস মহাদয়ের বরাবর স্মারক লিপি প্রদান করেন।

এ সময় ইটভাটার শ্রমিক ও মালিকদের দাবি। ইটভাটা প্রস্তুতকারক মালিক সমিতির ভেড়ামারা উপজেলা সভাপতি নাজিমুদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক কালাম মন্ডল জানান, ভেড়ামারা উপজেলার ইট প্রস্তুত মালিক ও শ্রমিকবৃন্দ। চলতি ২০২৪-২৫ মৌসুমে আমরা ইট প্রস্তুত করার জন্য শ্রমিকদের অগ্রিম টাকাসহ ট্রেড লাইসের, বাণিজ্যিক কর, আয়কর ও ভ্যাট পরিশোধ করে ইটভাটার ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি। ভেড়ামারা উপজেলায় ৪৫টি ইটভাটায় প্রায় ১৫ হাজার শ্রমিক কর্মরত রয়েছে। তাদের আয়ে প্রায় ৭৫ হাজার মানুষ জীবন-জীবিকা নির্বাহ করে। আমরা অতীব দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, বিগত শেখ হাসিনার সরকারের আমলে দেশীয় শিল্প ধ্বংস করার যড়যন্ত্রে লিপ্তে থাকা ২০১৩ ও ২০১৯ সালের কালো আইন করে এই শিল্পকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র চলছিল।

এমতাবস্থায় ইটভাটা বন্ধ হলে ইটভাটা মালিকগণ ব্যাংকের ঋণসহ অর্থনৈতিকভাবে দেউলিয়া হবে অন্যদিকে শ্রমিকগণ পবিত্র মাহে রমজান মাসে অভাব অনটনে পরিবার-পরিজন নিয়ে অসহায়ভাবে জীবন যাপন করবে।

২০১৩ সালে কালো আইন অনুযায়ী ইটভাটা বন্ধ করা হলে দেশে সরকারি, বেসরকারি সকল উন্নয়ন কাজ বন্ধ হয়ে যাবে। একই সাথে দেশের অর্থনীতির উপর বিরূপ প্রভাব পড়বে। এছাড়াও দেশে চুরি, ছিনতাই, ডাকাতিসহ অপরাধ বেড়ে যাবে।

তিনি আরো জানান আমরা ২ মাসের সময় চেয়েছি। এর মধ্যে প্রশাসন যদি কোন ইট ভাটায় অভিযান চালিয়ে ক্ষতি করে তাহলে আমরা ইটভাটা মালিকরা শ্রমিকদের সঙ্গে করে আন্দোলন ঘোষণা দেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রফিকুল ইসলাম জানান আমাদের সরকারের প্রত্যেকটি আদেশ মেনে চলতে হবে সরকার যে সিদ্ধান্ত দিয়েছে বাইরে আমরা যেতে পারবো না। আপনারা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে স্মারকলিপি দিতে এসেছেন এই বিষয়ে আমি আমার কর্তৃপক্ষকে জানাবো সেখান থেকে যে সিদ্ধান্ত জানাবে আমি আপনাদের ইটভাটা মালিকদের জানাবো।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন

Advertisement

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2024