| | | |
সংবাদ শিরোনামঃ
মুুক্তিযোদ্ধার জানাযা ও দাফনে বাধা প্রদানের প্রতিবাদে ভেড়ামারায় মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ তাড়াশে হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে জনগণকে সম্পৃক্ত করে কমিউনিটি সভা অনুষ্ঠিত মিরপুরে মাটি পরীক্ষায় ডিজিটাল সেন্সর ব্যবহারে প্রশিক্ষণ ও ডিভাইস বিতরণ ভেড়ামারায় বিয়ে করতে এসে জরিমানা গুনতে হলো বর কে ভেড়ামারায় আলহেরা মডেল একাডেমী স্কুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও মা সমাবেশ ভেড়ামারার পদ্মায় পানির তোড়ে ভেসে গেলো কৃষক ভেড়ামারায় গনধর্ষন/ ৪ দিন মৃত্যুর সাথে লড়ে হেরে গেলো তরুনী ভেড়ামারা থানা পুলিশের অভিযানে ৪০ পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ ২জন আসামি গ্রেফতার। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর সঙ্গে ঢাকাস্থ ভেড়ামারা সমিতির নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে বাবা-মা, দাদু আর একমাত্র ভাই সবাইকে হারিয়ে মহিমার চোখে কেবলই অন্ধকার/ আগুনে ছাই হয়ে গেল মহিমার সব স্বপ্ন
ভেড়ামারায় আওয়ামী সন্ত্রাসী কর্তৃক অতর্কিত হামলা ও সাড়ে ৫ লক্ষ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ  

ভেড়ামারায় আওয়ামী সন্ত্রাসী কর্তৃক অতর্কিত হামলা ও সাড়ে ৫ লক্ষ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ  

শামিমুল হক শামীম :

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় আওয়ামী লীগ নেতা ও তাদের সন্ত্রাসী বাহিনী কর্তৃক দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অতর্কিত হামলা ও ৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা জোর করে ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার জুনিয়াদহ ইউনিয়নের নহিরের মোড়ে গতকাল ৬ই মার্চ রাত ৮টার দিকে ঘটনার সূত্রপাত। 

এই ঘটনায় শরিফ মোল্লা নামের এক কৃষককে মারাত্মকভাবে কুপিয়ে জখম করেছে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা মিন্টু ও সাহাজুলের নেতৃত্বে আসা সন্ত্রাসী বাহিনী। শরীফ মোল্লাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজে নেওয়া হয়েছে। আরো ৭/৮ জন স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। 

শরিফ মোল্লার ভাই শাহাবুদ্দিন মোল্লা জানান, বৃহস্পতিবার রাত ৮ টার দিকে তার ভাই নহিরের মোড়ে মুক্তারের দোকানে বসে চা খাচ্ছিল।  

এ সময় আওয়ামী লীগ নেতা মির্জাপুর এলাকার বাসিন্দা মিন্টু ও সাহাজুলের নেতৃত্বে বিল্লাল, ঝন্টু, মালেক মোল্লা, আফফান, রিফাত তিন থেকে চারটি মোটরসাইকেল যোগে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে চার দোকানদার ইমরানের ওপর হামলা করে। তার কাছে থাকা ৪ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। তাদের দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি ভাবে মারতে থাকে। ফেরার পথে মুক্তারের দোকানে পূর্ব শত্রুতার জেরে তার ভাই শরিফ মোল্লার উপর রামদা দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে। এ নিয়ে সাহাজুল ও মিন্টুর নেতৃত্বে তার ভাইয়ের উপরে গত দু মাসে দুবার আক্রমণ করা হলো। শরিফ মোল্লাকে ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্র হয়ে রাজশাহীতে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এসময় শরিফ মোল্লার কাছে থাকা এক লক্ষ টাকাও তারা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এছাড়াও তাদের সন্ত্রাসী হামলায় চা দোকানদার ইমরান, তার বাবা হানিফ আলী, তার মামা রুস্তম, সাপ্তার, মামাতো ভাই আরিফ  তারিক, ইমন মারাত্মক আহত হয়। বর্তমানে তারা ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন। ইমরানের কাছে থাকা জমির খাজনা বাবদ ৪ লক্ষ ৬০ হাজার টাকাও তারা নিয়ে যায়। 

এ ঘটনা এলাকায় চাঞ্চল্য বিরাজ করছে। ভেড়ামারা থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও তিনি জানান। 

এলাকাবাসীদের দাবি, এই গ্রুপটি বিগত কয়েক মাস ধরে এলাকায় অশান্তি সৃষ্টি করে চলেছে। পাওনা টাকা আদায়ের নাম করে এলাকায় নৈরাজ্য আর চাঁদাবাজির স্বর্গরাজ্য গড়ে তুলেছে। সর্বদা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ঘুরে বেড়ায়। কিছু বললেই হামলা করতে চায়। 

ভেড়ামারা থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ শহিদুল ইসলাম জানান, আমি নিজে পুলিশ ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে এসেছি।পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক আছে। অভিযোগ সাপেক্ষে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন

Advertisement

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2024