| | | |
সংবাদ শিরোনামঃ
মুুক্তিযোদ্ধার জানাযা ও দাফনে বাধা প্রদানের প্রতিবাদে ভেড়ামারায় মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ তাড়াশে হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে জনগণকে সম্পৃক্ত করে কমিউনিটি সভা অনুষ্ঠিত মিরপুরে মাটি পরীক্ষায় ডিজিটাল সেন্সর ব্যবহারে প্রশিক্ষণ ও ডিভাইস বিতরণ ভেড়ামারায় বিয়ে করতে এসে জরিমানা গুনতে হলো বর কে ভেড়ামারায় আলহেরা মডেল একাডেমী স্কুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও মা সমাবেশ ভেড়ামারার পদ্মায় পানির তোড়ে ভেসে গেলো কৃষক ভেড়ামারায় গনধর্ষন/ ৪ দিন মৃত্যুর সাথে লড়ে হেরে গেলো তরুনী ভেড়ামারা থানা পুলিশের অভিযানে ৪০ পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ ২জন আসামি গ্রেফতার। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর সঙ্গে ঢাকাস্থ ভেড়ামারা সমিতির নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে বাবা-মা, দাদু আর একমাত্র ভাই সবাইকে হারিয়ে মহিমার চোখে কেবলই অন্ধকার/ আগুনে ছাই হয়ে গেল মহিমার সব স্বপ্ন
বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে বৃদ্ধের হাতে বয়স্ক ভাতার কার্ড তুলে দিলেন কুমারখালীর ইউএনও

বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে বৃদ্ধের হাতে বয়স্ক ভাতার কার্ড তুলে দিলেন কুমারখালীর ইউএনও

শাহ্ জামাল :
প্রায় মাসখানেক আগে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলা চত্বরে ভাঁজা, চিড়ামুড়ি বা ঘটিগরম বিক্রি করতে এসেছিলেন বৃদ্ধ মো. আমিন উদ্দিন শেখ (৭৫)। নিজের অসহায়ত্বের কথা জানাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিতান কুমার মন্ডলের কার্যালয়েও গিয়েছিলেন তিনি। ইউএনও তার অসহায়ত্বের কথা শুনে বয়স্ক ভাতা ও সমস্যা নিরসনের আশ্বাস দিয়েছিলেন।
প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী গত বুধবার দুপুরে বৃদ্ধ আমিন উদ্দিনকে বাড়ি থেকে নিজ কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে আসেন ইউএনও বিতান কুমার মন্ডল।
এ সময় তার হাতে একটি বয়স্ক ভাতার কার্ড তুলে দেন ইউএনও। এ সময় উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোহাম্মাদ আলী উপস্থিত ছিলেন।
বৃদ্ধ মো. আমিন উদ্দিন শেখ উপজেলার সদকী ইউনিয়নের খয়েরচরা মাঠপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল হাকিম শেখের ছেলে। তিনি তিন সন্তানের মধ্যে একমাত্র মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন।
বাকি এক ছেলে ঢাকায় দিনমজুর এবং আরেক ছেলে কুমারখালীতে ভাঙ্গারী মালের কাজ করেন। তার স্ত্রী প্যারালাইজড রোগী।
জানতে চাইলে ভাতাভোগী মো. আমিন উদ্দিন শেখ বলেন, ‘বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে স্যার ভাতা করে দিছে। আমার বিশাল উপকার হয়েছে।স্যারের মত সারাদেশে অফিসার (ইউএনও) থাকলে আমাদের মত অসহায় লোক থাকবেনা। স্যার যেন আরও বড় অফিসার হন। ’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিতান কুমার মন্ডল জানান, একদিন ঘটিগরম বিক্রি করতে এসে বৃদ্ধ লোকটি তার অসহায়ত্বের কথা জানিয়েছিলেন। সেদিন উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে দুই হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছিল। উপযুক্ত হওয়ায় আজ তাকে বয়স্ক ভাতার কার্ড দেওয়া হয়েছে।
এখন তিনি প্রতিমাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ সুবিধা পাবেন। শুধু তিনি নন তার অসুস্থ স্ত্রীর জন্যেও ভাতার ব্যবস্থা করা হবে।
ইউএনও বলেন, জনগণের জন্যই জনপ্রশাসন। সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিতে মধ্যস্বত্ত্বভোগীদের কাছে না গিয়ে সরাসরি কর্মকর্তাদের কার্যালয়ে আসেন। আমরা সাধ্যমত সেবা প্রদানের চেষ্টা করব।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন

Advertisement

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2024