| | | |
সংবাদ শিরোনামঃ
মুুক্তিযোদ্ধার জানাযা ও দাফনে বাধা প্রদানের প্রতিবাদে ভেড়ামারায় মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ তাড়াশে হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে জনগণকে সম্পৃক্ত করে কমিউনিটি সভা অনুষ্ঠিত মিরপুরে মাটি পরীক্ষায় ডিজিটাল সেন্সর ব্যবহারে প্রশিক্ষণ ও ডিভাইস বিতরণ ভেড়ামারায় বিয়ে করতে এসে জরিমানা গুনতে হলো বর কে ভেড়ামারায় আলহেরা মডেল একাডেমী স্কুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও মা সমাবেশ ভেড়ামারার পদ্মায় পানির তোড়ে ভেসে গেলো কৃষক ভেড়ামারায় গনধর্ষন/ ৪ দিন মৃত্যুর সাথে লড়ে হেরে গেলো তরুনী ভেড়ামারা থানা পুলিশের অভিযানে ৪০ পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ ২জন আসামি গ্রেফতার। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর সঙ্গে ঢাকাস্থ ভেড়ামারা সমিতির নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে বাবা-মা, দাদু আর একমাত্র ভাই সবাইকে হারিয়ে মহিমার চোখে কেবলই অন্ধকার/ আগুনে ছাই হয়ে গেল মহিমার সব স্বপ্ন
দৌলতপুরে হত্যা মামলায় বাবা-ছেলের যাবজ্জীবন

দৌলতপুরে হত্যা মামলায় বাবা-ছেলের যাবজ্জীবন

শাহীন আলম লিটন:
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থানার একটি হত্যা মামলায় দুইজনের যাবজ্জীবন এবং দুইজনের ১০ বছর করে কারাদণ্ডসহ জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টায় কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ অতিরিক্ত আদালত-১এর বিচারক তাজুল ইসলাম জনাকীর্ণ আদালতে সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় দেন।

রায়ে প্রত্যেকের পৃথকভাবে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছর সাজার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলার সংগ্রামপুর গ্রামের বাসিন্দা লিয়াকত আলী ওরফে নিয়ত আলী (৭০) ও তার ছেলে আশারত আলী ওরফে নওশেদ (৫০)।

এ মামলায় ১০ বছর সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- একই গ্রামের বাসিন্দা আরজেদ আলীর ছেলে এনামুল (৫০) ও আমির হামজার ছেলে মিন্টু আলী (৩৩)।

আদালতের মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ১১ জুন বিকেল সাড়ে ৩টায় দৌলতপুর উপজেলার সংগ্রামপুর থেকে ইচিমারি গ্রামের মধ্যবর্তী মাঠে প্রতিপক্ষ আসামিরা পরিকল্পিতভাবে উপজেলার সংগ্রামপুর গ্রামের মুক্তার হোসেনের ছেলে সাইফুল ইসলামকে (২৮) কুপিয়ে হত্যা করে।

এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে ১৫ জনের নামোল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৫/৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে মামলা করেন দৌলতপুর থানায়।

মামলাটি তদন্ত শেষে ২০১৪ সালের ১৮ নভেম্বর তারিখে ১৫ জনের বিরুদ্ধে সাইফুল হত্যায় জড়িত অভিযোগ এনে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন পুলিশের অপরাধ ও তদন্ত বিভাগের পুলিশ পরিদর্শক আকিদুল ইসলাম।

কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট অনুপ কুমার নন্দী জানান, আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় লিয়াকত আলী ওরফে নিয়ত আলী ও তার ছেলে আশারত আলী ওরফে নওশেদকে যাবজ্জীবনসহ পৃথক ভাবে ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং এনামুল (৫০) ও মিন্টু আলীকে ১০ বছরের কারাদণ্ডসহ ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। জরিমানার টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হলে আরও এক বছর সাজা খাটতে হবে তাদের।

এছাড়া এ মামলায় লিটন, লালচাঁদ ও রুবেলকে পৃথকভাবে তিন বছর সাজার আদেশসহ বাকি আট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন

Advertisement

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2024