| | | |
সংবাদ শিরোনামঃ
মিরপুরে মাটি পরীক্ষায় ডিজিটাল সেন্সর ব্যবহারে প্রশিক্ষণ ও ডিভাইস বিতরণ ভেড়ামারায় বিয়ে করতে এসে জরিমানা গুনতে হলো বর কে ভেড়ামারায় আলহেরা মডেল একাডেমী স্কুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও মা সমাবেশ ভেড়ামারার পদ্মায় পানির তোড়ে ভেসে গেলো কৃষক ভেড়ামারায় গনধর্ষন/ ৪ দিন মৃত্যুর সাথে লড়ে হেরে গেলো তরুনী ভেড়ামারা থানা পুলিশের অভিযানে ৪০ পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ ২জন আসামি গ্রেফতার। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর সঙ্গে ঢাকাস্থ ভেড়ামারা সমিতির নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে বাবা-মা, দাদু আর একমাত্র ভাই সবাইকে হারিয়ে মহিমার চোখে কেবলই অন্ধকার/ আগুনে ছাই হয়ে গেল মহিমার সব স্বপ্ন ভেড়ামারায় এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ভেড়ামারায় ‘মাদককে না’ বলে যুবদের মাঝে ফুটবল বিতরণ
তাড়াশে ৫ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়া ৫টি পরিবার ৬ মাস যাবৎ বাড়ি ছাড়া

তাড়াশে ৫ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়া ৫টি পরিবার ৬ মাস যাবৎ বাড়ি ছাড়া

এম এ মাজিদ, তাড়াশ,:
একটি ফসলী জমি কেনাকে কেন্দ্র করে কতিপয় গ্রাম্য প্রধানদের ৫ লাখ টাকার চাঁদার আবদার পূরুণ না করায় সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ছয়টি পরিবারের নারী-শিশুসহ ২১ জন সদস্য প্রায় ৬ মাস যাবৎ বাড়ি ছাড়া হয়ে অন্যত্র বসবাস করতে বাধ্য হচ্ছেন।
ঘটনাটি ঘটেছে, উপজেলার মাধাইনগর ইউনিয়নের বলভা গ্রামে।
এ দিকে শনিবার দুপুরে জনাকীর্ণ এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবার গুলো এর প্রতিকার চেয়ে তাড়াশ থানাসহ বিভিন্ন দফতরে লিখিত অভিযোগ করেও প্রতিকার পাননি এমনই অভিযোগ করেছেন।
অবশ্য, এ বিষয়ে তাড়াশ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান শনিবার দুপুরে জানান, বিষয়টি তিনি অবগত আছেন। এমনকি এ ঘটনায় ঘটনাস্থলে একাধিকবার পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি ভুক্তভোগী পরিবারকে এজাহার দাখিল জন্য ডাকা হয়েছে। কিন্তু তারা আসেন না।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ওই গ্রামের বাসিন্দা ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য পক্ষে মো. রুবেল রানা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ওই পরিবারের নারী সদস্য মোছা. জাহেরা খাতুন, মোছা. আমিনা খাতুন, মোছা. ফুয়ারা খাতুন, মোছা. নাসরিন খাতুনসহ শিশু ও পুরুষ সদস্যরা।
লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, বলভা গ্রামের একটি ফসলী জমি তার বাবা মো. আহসান হাবিব কেনেন। কেনার পর ওই গ্রামের গ্রাম্য প্রধান মো. নাসির উদ্দিন, মো. আব্দুল মতিন, মো. হালিম হোসেন ও মেহেদী হাসান আমাদের ছয় ভাইয়ের কাছে জমি কিনেছি বিধায় আমাদের টাকা আছে এমন আবদার জানিয়ে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করেন।
কিন্তু আমরা সে টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে প্রথমে আমাদের ছয় ভাইকে বিভিন্ন রকম ভয়ভীতি দেখান। এরপর আমরা টাকা না দিলে তারা আমাদের বাড়ি ঘরের উপর চড়া হয়ে ভাংচুর ও ফ্রিজ, টিভি, ফ্যান, পানি সেচের ২টি পাম্প, স্বর্ণ অলংকার, ল্যাপটবসহ আসবাবপত্র লুটপাট করেন। একই সঙ্গে তারা আমাদের বসবত ভিটা সকল ঘরে তালা দিয়ে ত্রাসের সৃষ্টি করেছেন। এছাড়াও আমাদের কে প্রাণনাশের হুমকি দিলে আমরা ছয়টি পরিবারের ২১ জন সদস্য প্রাণ ভয়ে বাড়ি ঘর ছেড়ে অন্যত্র বসবাস করতে বাধ্য হচ্ছি প্রায় ৬ মাস যাবৎ।
এমন কি আমাদের পরিবারের দুজন সদস্য মোছা. ছাবিকুন নাহার মিম, মোছা. আরিফা খাতুন নামের এসএসসি পরীক্ষার্থী বাড়ি ছাড়া হয়ে তাড়াশে ভাড়া বাসায় থেকে পরীক্ষা দিতে বাধ্য হচ্ছেন। আরো স্কুলে যেতে পারছেন না ৪র্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী মোছা. মিথিলা খাতুন, ১ম শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. আহাদ আলী ও মো. সিয়াম হোসেন। মূলতঃ এসকল শিক্ষার্থী ৬ মাস হলে স্কুলেই যেতে পারছেন না। এতে করে তাদের পড়া লেখা বন্ধ হয়ে গেছে। একই সঙ্গে আমাদের প্রায় ৯ বিঘা ফসলী জমির ফসল পেকে গেলেও ঘরে তুলতে পারছি না।
মুঠোফোনে ৫ লাখ টাকার চাঁদা দাবীর বিষয়টি অস্বীকার করে গ্রাম্য প্রধান মো. নাসির উদ্দিন জানান, জমি-জমা নিয়ে আমাদের সাথে বিরোধ আছে কিন্তু আমরা কোন চাঁদা দাবী করি নাই। আর লুটপাট প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি বিষয়টি এরিয়ে যান।
এ প্রসঙ্গে তাড়াশ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান জানান, এজাহার দিলে মামলা নেওয়া হবে। এছাড়াও শুনেছি বিষয়টি স্থানীয় ভাবে মিমাংশা করার চেষ্টা চলছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন

Advertisement

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2024