| | | |
সংবাদ শিরোনামঃ
মুুক্তিযোদ্ধার জানাযা ও দাফনে বাধা প্রদানের প্রতিবাদে ভেড়ামারায় মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ তাড়াশে হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে জনগণকে সম্পৃক্ত করে কমিউনিটি সভা অনুষ্ঠিত মিরপুরে মাটি পরীক্ষায় ডিজিটাল সেন্সর ব্যবহারে প্রশিক্ষণ ও ডিভাইস বিতরণ ভেড়ামারায় বিয়ে করতে এসে জরিমানা গুনতে হলো বর কে ভেড়ামারায় আলহেরা মডেল একাডেমী স্কুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও মা সমাবেশ ভেড়ামারার পদ্মায় পানির তোড়ে ভেসে গেলো কৃষক ভেড়ামারায় গনধর্ষন/ ৪ দিন মৃত্যুর সাথে লড়ে হেরে গেলো তরুনী ভেড়ামারা থানা পুলিশের অভিযানে ৪০ পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ ২জন আসামি গ্রেফতার। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর সঙ্গে ঢাকাস্থ ভেড়ামারা সমিতির নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে বাবা-মা, দাদু আর একমাত্র ভাই সবাইকে হারিয়ে মহিমার চোখে কেবলই অন্ধকার/ আগুনে ছাই হয়ে গেল মহিমার সব স্বপ্ন
কুষ্টিয়ায় হিসাব রক্ষক-স্কুল শিক্ষিকা দম্পতির বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

কুষ্টিয়ায় হিসাব রক্ষক-স্কুল শিক্ষিকা দম্পতির বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

শাহীন আলম লিটন :
প্রায় কোটি টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা ও স্কুল শিক্ষিকা দম্পতির বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক কুষ্টিয়া।

রবিবার (২৭ জুন) দুপুরে দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয় কুষ্টিয়ার সহকারী পরিচালক আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে জেলা হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা আশরাফুল আলম ও তার স্ত্রী স্কুলশিক্ষিকা মোছা. আয়েশা খাতুনের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করেছেন।

মামলার এজাহার নামীয় আসামিরা হলেন- রংপুর তারাগঞ্জ উপজেলার ইকরচালী গ্রামের বাসিন্দা আব্দুস সাত্তার মিয়ার ছেলে সাবেক কুষ্টিয়া জেলা হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা বর্তমানে রংপুরে কর্মরত আশারাফুল আলম এবং তার স্ত্রী রংপুর সদর উপজেলার রাধাকৃষ্ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা মোছা. আয়শা খাতুন।

মামলার এজাহার সূত্রের বিবরণ দিয়ে দুদকের কৌঁসুলি অ্যাড. আল-মুজাহিদ মিঠু জানান, প্রথম মামলায় আনীত অভিযোগে সাবেক জেলা হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা আশরাফুল আলম তার কর্মজীবনের ১৯৮৯ সাল হতে ২০১৯ সাল সময়কালের মধ্যে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত প্রায় ৩৬ লাখ টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ।

২য় মামলায় আশরাফুল আলম ও তার স্ত্রী আয়শা খাতুন যৌথভাবে কর্মজীবনের ১৯৯৫ সাল হতে ২০১৯ সাল সময়কালের মধ্যে প্রায় ২১ লাখ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ আহরণ করেছেন বলে দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধান ও তদন্তে সত্যতা পাওয়া যায়।

আসামিদের দখলে থাকা প্রায় দুই কোটি টাকার সম্পত্তির মধ্যে প্রায় অর্ধকোটি টাকার সম্পত্তি জ্ঞাত আয় বহির্ভূত। যা ২০০৪ সালের দুদক আইনের দ:বি: ২৬(২) ও ২৭(১) ধারা এবং ২০১২ সালের মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ৪(২ ও ৩) তৎসহ ১০৯ ধারায় অপরাধ সংগঠিত হয়েছে বলে প্রতীয়মান হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন

Advertisement

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2024