| | | |
সংবাদ শিরোনামঃ
মুুক্তিযোদ্ধার জানাযা ও দাফনে বাধা প্রদানের প্রতিবাদে ভেড়ামারায় মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ তাড়াশে হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে জনগণকে সম্পৃক্ত করে কমিউনিটি সভা অনুষ্ঠিত মিরপুরে মাটি পরীক্ষায় ডিজিটাল সেন্সর ব্যবহারে প্রশিক্ষণ ও ডিভাইস বিতরণ ভেড়ামারায় বিয়ে করতে এসে জরিমানা গুনতে হলো বর কে ভেড়ামারায় আলহেরা মডেল একাডেমী স্কুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও মা সমাবেশ ভেড়ামারার পদ্মায় পানির তোড়ে ভেসে গেলো কৃষক ভেড়ামারায় গনধর্ষন/ ৪ দিন মৃত্যুর সাথে লড়ে হেরে গেলো তরুনী ভেড়ামারা থানা পুলিশের অভিযানে ৪০ পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ ২জন আসামি গ্রেফতার। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর সঙ্গে ঢাকাস্থ ভেড়ামারা সমিতির নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে বাবা-মা, দাদু আর একমাত্র ভাই সবাইকে হারিয়ে মহিমার চোখে কেবলই অন্ধকার/ আগুনে ছাই হয়ে গেল মহিমার সব স্বপ্ন
কুমারখালী থেকে শিশুর লাশ উদ্ধার

কুমারখালী থেকে শিশুর লাশ উদ্ধার

শাহীন আলম লিটন :
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে বালুভর্তি বস্তা দিয়ে চাপা দেওয়া অবস্থায় এক শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার ( ০৩ মার্চ) সকালে কুমারখালী উপজেলার চরসাদিপুর ইউনিয়নের চর ঘোষপুরে লাশটি পাওয়া যায়। কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলাইমান শেখ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিহত শিহাব (১০) কুমারখালী উপজেলার চরসাদিপুর ইউনিয়নের চর ঘোষপুর গ্রামের রতন শেখের ছেলে। বাবা নিরুদ্দেশ হওয়ার পর সে মা তাসলিমা খাতুনের সঙ্গে সরকারি আবাসন প্রকল্পের গুচ্ছগ্রামে থাকত। সে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়।

শিহাবের নানা আকাতুল্লাহ প্রামাণিক জানান, শিহাব প্রতিদিন গরু নিয়ে মাঠে যেত। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার আগে মাঠ থেকে গরু নিয়ে বাড়ি ফেরে। তখন বিছানার নিচ থেকে ৫০০ টাকা নিয়েছে কি না জানতে চাইলে সে তা স্বীকার করে এবং জানায় ২০০ টাকা খরচ করে ফেলেছে। পরে বাকি ৩০০ টাকা নিয়ে সে বের হয়ে আর বাড়িতে ফেরেনি। আজ বাড়ির অদূরে একটি মাঠে স্তূপ করা বালুর বস্তার নিচে চাপা দেওয়া অবস্থায় তার লাশ দেখতে পায় স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ তা উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

শিহাবের মা তাসলিমা খাতুন জানান, পাশেই তাঁর বাবার বাড়ি। বেশির ভাগ সময় সেখানেই থাকত শিহাব। সে দিন বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তাঁরা ভেবেছিলেন ছেলেটি খালা কিংবা ফুপুর বাড়িতে গেছে। কিন্তু একদিন পার হয়ে গেলেও না ফিরলে সব জায়গায় খুঁজেও তাকে পাওয়া যায়নি। বিলাপ করতে করতে তাসলিমা বলেন, ‘ওর বাপ আমাদের ছেড়ে নিরুদ্দেশ হওয়ার পর অনেক কষ্টে ছেলেকে নিয়ে গুচ্ছগ্রামে বাস করি। স্থানীয় একটি ইটভাটায় রান্না করে যা পাই তাই দিয়ে কোনোরকম সংসার চলে। এখন আমি কাকে নিয়ে থাকব।’কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলাইমান শেখ বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন

Advertisement

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2024