| | | |
সংবাদ শিরোনামঃ
মুুক্তিযোদ্ধার জানাযা ও দাফনে বাধা প্রদানের প্রতিবাদে ভেড়ামারায় মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ তাড়াশে হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে জনগণকে সম্পৃক্ত করে কমিউনিটি সভা অনুষ্ঠিত মিরপুরে মাটি পরীক্ষায় ডিজিটাল সেন্সর ব্যবহারে প্রশিক্ষণ ও ডিভাইস বিতরণ ভেড়ামারায় বিয়ে করতে এসে জরিমানা গুনতে হলো বর কে ভেড়ামারায় আলহেরা মডেল একাডেমী স্কুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও মা সমাবেশ ভেড়ামারার পদ্মায় পানির তোড়ে ভেসে গেলো কৃষক ভেড়ামারায় গনধর্ষন/ ৪ দিন মৃত্যুর সাথে লড়ে হেরে গেলো তরুনী ভেড়ামারা থানা পুলিশের অভিযানে ৪০ পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ ২জন আসামি গ্রেফতার। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর সঙ্গে ঢাকাস্থ ভেড়ামারা সমিতির নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে বাবা-মা, দাদু আর একমাত্র ভাই সবাইকে হারিয়ে মহিমার চোখে কেবলই অন্ধকার/ আগুনে ছাই হয়ে গেল মহিমার সব স্বপ্ন
কুমারখালীতে প্রতারকের সাথে একঘণ্টা কথা বলে ৪৮ হাজার টাকা খোয়াল কলেজছাত্র

কুমারখালীতে প্রতারকের সাথে একঘণ্টা কথা বলে ৪৮ হাজার টাকা খোয়াল কলেজছাত্র

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি :
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে করোনায় প্রণোদনার আশায় বিকাশ প্রতারকের সাথে একঘণ্টা কথা বলে। এতে ৪৮ হাজার ৫০০ টাকা খাওয়া গেল এক কলেজ ছাত্রের।

ওই ছাত্রের নাম সাজ্জাদ হোসেন। সে কুমারখালীতে উপজেলার পান্টি ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামের জাফর খানের ছেলে। এঘটনায় সোমবার (২৮ জুন) দুপুরে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেছেন ওই ছাত্র। জিডি নম্বর ১২৯২।

এবিষয়ে প্রতারণার শিকার ওই কলেজ ছাত্র সাজ্জাদ হোসেস বলেন, গত ২৬ জুন শনিবার বিকেলে একটি মোবাইল নাম্বার (০১৩০৭১৯৫৪৯০) থেকে আমার নাম্বারে ( ০১৯৩২১২১২০৬) কল আসে। রিসিভ করতেই অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি বলেন, স্যার বিকাশ থেকে বলছি। আপনার ফোনে করোনায় প্রণোদনা হিসেবে দুই দফায় ৮ হাজার ৩৬০ টাকা এসেছে। আপনার বিকাশে সমস্যা থাকায় উঠাতে পারেননি। আপনার পিন নাম্বারটি দেন বিকাশ ঠিক করা হবে। আমি পিন নাম্বার দিয়ে দিই।

এরপর অজ্ঞাত ব্যক্তি বলেন পাশে বিকাশের এজেন্ট থাকলে সেখানে যান। গিয়ে আপনার নাম্বারে ৮ হাজার টাকা নেন। আমি ৮ হাজার ৫০০ টাকা বিকাসে নিই। তখন তিনি বলেন, মেসেজ চেক করেন আপনার নাম্বারে ৮ হাজার ৫০০ টাকা এসেছে। আমি মেসেজ চেক করি দেখি টাকা এসেছে।

তারপর অজ্ঞাত ব্যক্তি বলেন, এবার এজেন্ট নাম্বার থেকে আরো ১৫ হাজার টাকা আপনার নাম্বারে নেন। আমি আরো ১৫ হাজার টাকা নিই। এরপর ২৩ হাজার ৫০০ টাকা ক্যাশ আউটের একটি মেসেজ আসে। তখন ওই ব্যক্তি বলেন, দেখেন আপনার নাম্বার হতে ২৩ হাজার ৫০০ টাকা ক্যাশ আউট হয়েছে।

কলেজ ছাত্র আরো বলেন, এরপর অজ্ঞাত ব্যক্তি বলেন, এজেন্ট নাম্বার থেকে এবার ২৫ হাজার টাকা নেন আপনার নাম্বারে। আমি বিকাশের এজেন্ট ব্যবসায়ী আমানত কে আরো ২৫ হাজার টাকা দিতে বলি। তখন ব্যবসায়ী টাকা দিতে রাজী হয়নি। এসময় আমি দোকানীকে বলি যে, আমার বোন খুব অসুস্থ। ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু শয্যা। টাকা লাগবে।

এরপর বোনের অসুস্থতার কথা বলে আরেক বিকাশ এজেন্ট ব্যবসায়ী পলাশের কাছ থেকে টাকা নিয়ে আমানত ২৫ হাজার টাকা দেয়। আমি এই ২৫ হাজার টাকাও তাকে পাঠায়। অজ্ঞাত ব্যক্তি আবারো ২৫ হাজার টাকা দিতে বলে। এসময় আমি রাজী না হওয়ায় তিনি কলটি কেটে দেয়।

কলেজ ছাত্র আরো বলেন, প্রায় একঘণ্টা কথা হয় তার সাথে। কল কাটার পরে তাকে বারবার ফোন দিচ্ছি। কিন্তু তিনি আর ধরছেন না। আমি প্রতারণায় শিকার হয়েছি। থানায় জিডি করেছি।

এবিষয়ে পান্টি ইউনিয়নের বিলকাঠিয়া বাজারে বিকাশের এজেন্ট ব্যবসায়ী আমানত বলেন, সাজ্জাজ পূর্ব পরিচিত। একজনের সাথে ফোনে কথা বলছিল আর আমাকে বোন অসুস্থতার কথা বলে টাকা পাঠাতে বলে। প্রথমে ওর নাম্বার ৮ হাজার ৫০০ টাকা পাঠায়। এরপর আরো ১৫ হাজার টাকা পাঠানো হয়।

তিনি আরো বলেন, সাজ্জাদ কান্নাকাটি আরো ২৫ হাজার টাকা পাঠানোর কথা বলে। তখন আমার ব্যালেন্স শেষ। পরে অন্যস্থান থেকে আরো ২৫ হাজার টাকা পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন, এক কলেজ ছাত্র বিকাশ প্রতারকের কাছে ৪৮ হাজার ৫০০ টাকা প্রতারণার শিকার হয়েছে। থানায় জিডি হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বসম্পন্ন ভাবে দেখা হচ্ছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন

Advertisement

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2024