| | | |
সংবাদ শিরোনামঃ
মুুক্তিযোদ্ধার জানাযা ও দাফনে বাধা প্রদানের প্রতিবাদে ভেড়ামারায় মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ তাড়াশে হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে জনগণকে সম্পৃক্ত করে কমিউনিটি সভা অনুষ্ঠিত মিরপুরে মাটি পরীক্ষায় ডিজিটাল সেন্সর ব্যবহারে প্রশিক্ষণ ও ডিভাইস বিতরণ ভেড়ামারায় বিয়ে করতে এসে জরিমানা গুনতে হলো বর কে ভেড়ামারায় আলহেরা মডেল একাডেমী স্কুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও মা সমাবেশ ভেড়ামারার পদ্মায় পানির তোড়ে ভেসে গেলো কৃষক ভেড়ামারায় গনধর্ষন/ ৪ দিন মৃত্যুর সাথে লড়ে হেরে গেলো তরুনী ভেড়ামারা থানা পুলিশের অভিযানে ৪০ পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ ২জন আসামি গ্রেফতার। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর সঙ্গে ঢাকাস্থ ভেড়ামারা সমিতির নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে বাবা-মা, দাদু আর একমাত্র ভাই সবাইকে হারিয়ে মহিমার চোখে কেবলই অন্ধকার/ আগুনে ছাই হয়ে গেল মহিমার সব স্বপ্ন
ইসলামভীতি নিয়ে পাকিস্তানের প্রস্তাবনায় জাতিসংঘে ভোটদান, বিরত থাকলো ভারত

ইসলামভীতি নিয়ে পাকিস্তানের প্রস্তাবনায় জাতিসংঘে ভোটদান, বিরত থাকলো ভারত

স্বাধীনতা ডেক্স :
জাতিসংঘের ১৯৩ সদস্যের সাধারণ সভায় পাকিস্তান ইসলামভীতি নিয়ে একটি খসড়া প্রস্তাবনা আনে। “ইসলামোফোবিয়ার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের পদক্ষেপ” শীর্ষক ওই প্রস্তাবনায় ১১৫টি দেশ এই খসড়ার সপক্ষে ভোট দেয়। কোনও দেশ এই প্রস্তাবনার বিরুদ্ধে ভোট না দিলেও, ভারত, ব্রাজিল, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, ইউক্রেন, বৃটেন সহ ৪৪টি দেশ এই প্রস্তাবনায় ভোটদান থেকে বিরত থাকে।
এদিন জাতিসংঘে পাকিস্তান সিএএ ও অযোধ্যার রামমন্দিরের প্রসঙ্গ তুলে ভারতকে কোণঠাসা করার চেষ্টা করে। পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত মুনির আক্রম রামমন্দির ও সিএএ প্রসঙ্গ তুলে আনেন। ইসলামভীতি, মুসলিম-বিরোধী মনোভাবের বিরুদ্ধে জাতিসংঘে ওই প্রস্তাব জমা দেয় পাকিস্তান, সেই প্রস্তাবে সমর্থন জানায় চিন। ইসলামভীতির পাশাপাশি, হিন্দু, বৌদ্ধ, শিখ এবং অন্য যে সব ধর্ম এই ধরনের বিদ্বেষ, বৈষম্য এবং হিংসার শিকার হয়, তারও উল্লেখ ছিল প্রস্তাবে।
কোনও একটি ধর্ম নয়, বিদ্বেষের শিকার প্রত্যেক ধর্মের মানুষের নিরাপত্তার দিকটি তুলে ধরা হয় প্রস্তাবে। ভোটদান থেকে বিরত থাকার কারণ হিসেবে জাতিসংঘে ভারতের হয়ে বিবৃতি দেন সেখানে দিল্লির প্রতিনিধি রুচিরা কম্বোজ।

রুচিরা বলেন, “দশকের পর দশক ধরে প্রমাণ মিলেছে যে যারা আব্রাহমিক ধর্ম অনুসরণ করে না, তারাও ধর্মীয় ভীতির শিকার হয়। হিন্দু বিরোধী, বৌদ্ধ বিরোধী ও শিখ বিরোধী মনোভাবের সৃষ্টি হয়েছে। খ্রিস্টান-ভীতি, ইসলাম ভীতির জেরে সমস্ত পদক্ষেপের নিন্দা করলেও, ইসলামের গন্ডি পেরিয়ে সমস্ত ধর্মীয় ভীতিকেই স্বীকৃতি দেওয়া উচিত।”

রুচিরা আরও বলেন, পৃথিবীতে হিন্দু ধর্মে বিশ্বাসী মানুষের সংখ্যা ১২০ কোটি।
বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের সংখ্যা ৫৩.৫ কোটি, শিখ ধর্মাবলম্বীদের সংখ্যা ৩ কোটি। এরা প্রত্যেকেই ধর্মীয় বিদ্বেষের শিকার। তাই শুধুমাত্র একটি ধর্মের কথা বলা অনুচিত। তাঁর মতে,” শুধুমাত্র ইসলামভীতির বিরুদ্ধে সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়লে, একই সমস্যায় জর্জরিত অন্য ধর্মগুলিকে উপেক্ষা করলে, অসাম্য এবং একঘরে হয়ে যাওয়ার অনুভূতি গ্রাস করবে।”
প্রসঙ্গত গত ১১ মার্চ গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে সিএএ চালু করেছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। প্রশ্ন উঠেছে, হিন্দু, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, পার্সি, ক্রিস্টানদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম লাগু হলেও মুসলিমদের কী হবে? তার মধ্যেই ভারতের ভোটদানে বিরত থাকার বিষয়টি নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন।
সূত্র : দ্য ইকোনোমিক টাইমস

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন

Advertisement

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2024