| | | |
সংবাদ শিরোনামঃ
মুুক্তিযোদ্ধার জানাযা ও দাফনে বাধা প্রদানের প্রতিবাদে ভেড়ামারায় মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ তাড়াশে হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে জনগণকে সম্পৃক্ত করে কমিউনিটি সভা অনুষ্ঠিত মিরপুরে মাটি পরীক্ষায় ডিজিটাল সেন্সর ব্যবহারে প্রশিক্ষণ ও ডিভাইস বিতরণ ভেড়ামারায় বিয়ে করতে এসে জরিমানা গুনতে হলো বর কে ভেড়ামারায় আলহেরা মডেল একাডেমী স্কুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও মা সমাবেশ ভেড়ামারার পদ্মায় পানির তোড়ে ভেসে গেলো কৃষক ভেড়ামারায় গনধর্ষন/ ৪ দিন মৃত্যুর সাথে লড়ে হেরে গেলো তরুনী ভেড়ামারা থানা পুলিশের অভিযানে ৪০ পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ ২জন আসামি গ্রেফতার। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর সঙ্গে ঢাকাস্থ ভেড়ামারা সমিতির নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে বাবা-মা, দাদু আর একমাত্র ভাই সবাইকে হারিয়ে মহিমার চোখে কেবলই অন্ধকার/ আগুনে ছাই হয়ে গেল মহিমার সব স্বপ্ন
চাকরি ফিরে পেলেন ইউএনওকে সরতে বলা সেই ইমাম

চাকরি ফিরে পেলেন ইউএনওকে সরতে বলা সেই ইমাম

কুমিল্লা প্রতিনিধি:
আবারও চাকরিতে ফিরছেন কুমিল্লার লালমাই উপজেলার সেই ইমাম। রোববার বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বৈঠক শেষে এ সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), ইমাম, ইসলামী ফাউন্ডেশনের পরিচালক ও ইমাম সমিতির নেতারা। সেখানে দুঃখ প্রকাশ করেন ইউএনও মো. ফোরকান এলাহি অনুপম। গত শুক্রবার উপজেলার পেরুল ইউনিয়ন ভূমি অফিস সংলগ্ন ভাটরা কাছারি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে খুতবা শেষে নামাজ শুরুর আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) একটু সরে দাঁড়াতে বলা হয়। এ ঘটনায় ইমামকে চাকরিচ্যুত করার অভিযোগ উঠে ইউএনও এর বিরুদ্ধে। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।
মসজিদের ইমাম মাওলানা আবুল বাশার বলেন, ‘নামাজ শুরুর আগে ইমামের পেছনে মোয়াজ্জেম থাকেন। তখন পেছনে অন্য একজনকে দেখে একটু সরতে বলি। পরে জানতে পারি উনি ইউএনও স্যার। তখন আমি সরি বলি। কিন্তু নামাজ শেষে ইউএনও স্যার আমাকে পুকুরপাড়ে ডেকে নিয়ে পানিতে চুবাবেন বলে জানান। পরে স্থানীয় চেয়ারম্যান ইউএনওর বরাত দিয়ে আমাকে চাকরিচ্যুত করার বিষয়টি জানান। তবে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে আমাদের নিয়ে বসা হয়। ইউএনও স্যার বিষয়টি নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন। পরে জেলা প্রশাসক আমাকে চাকরিতে যোগদানের কথা বলেছেন।’
এ বিষয়ে শানে শাহাবা খতিব কাউন্সিল বাংলাদেশ এর চেয়ারম্যান মুফতি শামীম মজুমদার বলেন, ‘বিষয়টি জানতে পেরে আমরা কুমিল্লায় এসেছে। জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন জনের সঙ্গে কথা বলেছি। জেলা প্রশাসক বিষয়টি সমাধান করেছেন। ইউএনও এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন।’

ইউএনও মো. ফোরকান এলাহি অনুপম বলেন, ‘এ বিষয়টি নিয়ে আর কথা না বলি, ভুল বোঝাবুঝির অবসান হয়েছে।’

কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মু. মুশফিকুর রহমান বলেন, ‘ইমাম ও ইউএনওর মধ্যে একটি ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। বিষয়টির সমাধান হয়েছে। ইমাম ওই মসজিদে স্বপদে বহাল থাকবেন।’

সভায় উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) পঙ্কজ বড়ুয়া, ইউপির চেয়ারম্যান খন্দকার সাইফুল্লাহ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন কুমিল্লার উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন, শানে শাহাবা খতিব কাউন্সিল বাংলাদেশ এর চেয়ারম্যান মুফতি শামীম মজুমদার প্রমুখ।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন

Advertisement

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2024