| | | |
সংবাদ শিরোনামঃ
মুুক্তিযোদ্ধার জানাযা ও দাফনে বাধা প্রদানের প্রতিবাদে ভেড়ামারায় মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ তাড়াশে হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে জনগণকে সম্পৃক্ত করে কমিউনিটি সভা অনুষ্ঠিত মিরপুরে মাটি পরীক্ষায় ডিজিটাল সেন্সর ব্যবহারে প্রশিক্ষণ ও ডিভাইস বিতরণ ভেড়ামারায় বিয়ে করতে এসে জরিমানা গুনতে হলো বর কে ভেড়ামারায় আলহেরা মডেল একাডেমী স্কুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও মা সমাবেশ ভেড়ামারার পদ্মায় পানির তোড়ে ভেসে গেলো কৃষক ভেড়ামারায় গনধর্ষন/ ৪ দিন মৃত্যুর সাথে লড়ে হেরে গেলো তরুনী ভেড়ামারা থানা পুলিশের অভিযানে ৪০ পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ ২জন আসামি গ্রেফতার। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর সঙ্গে ঢাকাস্থ ভেড়ামারা সমিতির নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে বাবা-মা, দাদু আর একমাত্র ভাই সবাইকে হারিয়ে মহিমার চোখে কেবলই অন্ধকার/ আগুনে ছাই হয়ে গেল মহিমার সব স্বপ্ন
তাড়াশ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে খতিব নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ 

তাড়াশ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে খতিব নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ 

এম এ  মাজিদ, তাড়াশ :

সিরাজগঞ্জের  তাড়াশ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ এনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মি: সুইচিং মং মারমাসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তর ও মসজিদ কমিটির সদস্যদের  বরাবর লিখিত  অভিযোগ দায়ের করেছেন নিয়োগ বঞ্চিত বৈষম্যের শিকার মাওলানা মোক্তার হোসাইন।

লিখিত অভিযোগে বৈষম্যের স্বীকার মাওলানা মোখতার হোসেন অভিযোগ করেন তাড়াশ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব নিয়োগ সংক্রান্ত পরীক্ষায় আমি  অংশগ্রহণ করি। উক্ত পরীক্ষায় নিয়োগ বোর্ডের তিনজন সম্মানিত পরীক্ষকদের মধ্যে দুইজন ছিলেন কওমী নেছাবের আলেম; যারা আলিয়া নেছাবের আলেমদেরকে ভালো চোখে দেখেন না বা শত্রু মনে করেন। এমনি বৈষম্যের  স্বীকার আমি হয়েছি। যেহেতু আমি আলিয়া নেসাবের আলেম তাই ইচ্ছাকৃত ভাবে কওমী নেসাবের ২জন পরিক্ষক তাদের নেসাবের আলেম নিয়োগের জন্য অন্যায়ের আশ্রয় নেন। আমি   দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামেল পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে তিনটিতে ১ম বিভাগ এবং একটিতে ২য় বিভাগে উত্তীর্ণ হয়েছি। এছাড়াও বিএ (সম্মান) এবং এমএ পরীক্ষায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্বর্ণপদকসহ ১ম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হয়েছি। 

নিয়োগে সনদের মূল্যায়ন পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়নি। প্রথম বিভাগের জন্য- ৩, ২য় বিভাগের জন্য- ২ এবং ৩য় বিভাগের জন্য- ১ সে হিসেবে আমার সনদের প্রাপ্ত নম্বর হয় ১১/১২। অথচ আমাকে দেয়া হয়েছে মাত্র ৮ (আট)। পক্ষান্তরে যারা আমার সাথে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলেন তাদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রাপ্ত কোন সনদ না থাকায় তাদের কওমি নেসাবের শুধু সনদ দুইটি

সনদ রয়েছে সে হিসেবে তাদের প্রাপ্ত নম্বর হওয়ার কথা ও (যদি উভয় পরীক্ষায় ১ম বিভাগ হয়)। অথচ, তাদেরকে দেয়া হয়েছে ৯ (নয়)।

 লিখিত পরীক্ষায় একটি হাদিসকে হরকত দেয়া এবং বঙ্গানুবাদ করা জন্য বলা হয়েছে। আমি উক্ত হাদিসটিতে হরকত দেয়া এবং যথাযথ বঙ্গানুবাদ করেছি। অথচ, আমাকে নম্বর দেয়া হয়েছে ১০ এর মধ্যে মাত্র ৪ (চার) অপরদিকে অন্যান্য প্রার্থীগণকে ১০ এর মধ্যে ০৯ (নয়) করে নম্বর দেয়া হয়েছে। লিখিত পরীক্ষার খাতাগুলো ৩য় কোনো পরীক্ষকের মাধ্যমে নীরিক্ষা করার ব্যবস্থা করার দাবি জানান সেই সঙ্গে 

ভাইবা পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদেরকে ১৫-২০ মিনিট করে ভাইবা পরীক্ষা নেয়া হয়েছে। অথচ, আমাকে ভাইবা বোর্ডে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দিতে সময় নিয়েছেন ৪৫ মিনিট। সময় বেশি নেয়ার মূল কারণটাই হচ্ছে আমাকে বিভিন্ন প্রশ্ন করে ঠেকানো। 

সার্চ কমিটির সদস্যসহ কমিটির সভাপতি সহকারী কমিশনার (ভূমি) সকলেই আমার ভাইবা পরীক্ষায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করা সত্ত্বেও আমাকে সর্বনিম্ন নম্বর দেয়া হয়েছে। এছাড়া খতিব নিয়োগ বিষয়ে পরীক্ষা, ভাইবা এবং প্রাকটিক্যাল তথা জুমায় খুৎবা দেয়ার ব্যবস্থা করে জনমত যাচাইয়ের সুযোগ দিবেন।খতিব নিয়োগ বিষয়ে আমার লিখিত পরীক্ষার খাতা পূর্ণ মূল্যায়ন, সনদের নম্বর নিশ্চিতকরণের দাবী করেন। তিনি কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন ২জন কওমী নেসাবের এবং ২জন আলিয়া নেসাবের আলেমের সমন্নয়ে আবারো পরিক্ষার ব্যবস্থা করা হোক প্রকৃত মেধার যাচাই তখনি হয়ে যাবে। নিয়োগ কমিটির পরিক্ষক মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক জানান, মাওলানা মোখতার সাহেব ভালো পরিক্ষা দিয়েছেন। তিনি নেসাব বৈষম্যের স্বীকার হয়েছেন যা দুঃখজনক।

এ ব্যাপারে সার্চ  কমিটির সভাপতি সহকারী কমিশনার (ভূমি) খালিদ হাসান জানান, কোন অনিয়ম করা হয়নি।বিধি মেনে মেধার ভিত্তিতে খতিব নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। 

উপজেলা নিবাহী অফিসার সুইচিং মং মারমা জানান, অভিযোগ পেয়েছি।তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন

Advertisement

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2024