| | | |
সংবাদ শিরোনামঃ
মুুক্তিযোদ্ধার জানাযা ও দাফনে বাধা প্রদানের প্রতিবাদে ভেড়ামারায় মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ তাড়াশে হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে জনগণকে সম্পৃক্ত করে কমিউনিটি সভা অনুষ্ঠিত মিরপুরে মাটি পরীক্ষায় ডিজিটাল সেন্সর ব্যবহারে প্রশিক্ষণ ও ডিভাইস বিতরণ ভেড়ামারায় বিয়ে করতে এসে জরিমানা গুনতে হলো বর কে ভেড়ামারায় আলহেরা মডেল একাডেমী স্কুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও মা সমাবেশ ভেড়ামারার পদ্মায় পানির তোড়ে ভেসে গেলো কৃষক ভেড়ামারায় গনধর্ষন/ ৪ দিন মৃত্যুর সাথে লড়ে হেরে গেলো তরুনী ভেড়ামারা থানা পুলিশের অভিযানে ৪০ পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ ২জন আসামি গ্রেফতার। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর সঙ্গে ঢাকাস্থ ভেড়ামারা সমিতির নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে বাবা-মা, দাদু আর একমাত্র ভাই সবাইকে হারিয়ে মহিমার চোখে কেবলই অন্ধকার/ আগুনে ছাই হয়ে গেল মহিমার সব স্বপ্ন
ভৈরব ট্র্যাজেডি/ বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে ঢাকায় ফেরা হলো না তাদের, লাশ হয়ে ফিরলেন বাড়িতেই

ভৈরব ট্র্যাজেডি/ বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে ঢাকায় ফেরা হলো না তাদের, লাশ হয়ে ফিরলেন বাড়িতেই

নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি :
কিশোরগঞ্জ থেকে ঢাকা অভিমুখী এগারোসিন্ধুর গোধূলি ট্রেনের সঙ্গে মালবাহী ট্রেনের সংঘর্ষে ১৭ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে ফেরা একই পরিবারের চার জনসহ মোট পাঁচ জন নিহত হবার খবর পাওয়া গেছে। সোমবার সাড়ে তিনটার দিকে জগন্নাথপুর এলাকায় কিশোরগঞ্জের ভৈরবে যাত্রীবাহী ট্রেনে দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনায় একই পরিবারের নিহতরা হলেন ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলার রাজগাতী ইউনিয়নের বনাটি গাঙ্গাইল পাড়া গ্রামের মফিজ উদ্দিনের ছেলে সুজন মিয়া (৩৫), তার স্ত্রী ফাতেমা আক্তার (৩০) তাদের ছেলে সজীব মিয়া (৮) ও ইসমাইল মিয়া (৫)।

নিহত সুজনের ভাই স্বপন মিয়া জানান, সুজন মিয়া ঢাকার মোহাম্মদপুরের তাজমহল রোড এলাকায় পরিবার নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকতেন। সেখানে ভ্যান গাড়িতে ডাব বিক্রি করে সংসার চালাতেন। গত শুক্রবার বড় ভাইয়ের ছেলের বিয়ের অনুষ্ঠানে বাড়িতে আসেন। অনুষ্ঠান শেষে সোমবার এগারসিন্ধুর গোধূলি ট্রেনে করে ঢাকায় ফিরছিলেন স্বপনসহ পরিবারের সবাই। তবে ঘটনার সময় স্বপন মিয়া সামনের পাঁচ নম্বর বগিতে থাকায় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পান। মঙ্গলবার সকালে পারিবারিক কবরস্থানে তাদের দাফন সম্পন্ন হয়।

ভৈরবে রেল দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে অন্যজনের বাড়ি ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায়। হীরা আক্তার (২০) নামের ওই তরুণীর বাবার বাড়ি উপজেলার মুশুলী ইউনিয়নের মেরেঙ্গা এলাকায়। তার বাবার নাম মোঃ আরজু মিয়া।সোমবার রাতেই নিহত হীরা আক্তারের মামা ইয়াছিন মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ইয়াছিন মিয়া জানান, স্বামীর কর্মস্থল ঢাকায় যাওয়ার জন্য হীরা আক্তার দুপুরে কিশোরগঞ্জে এগারোসিন্ধুর ট্রেনে উঠেছিলেন। বিকালে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে সন্ধান করা হয়। এরপর জানা যায়, হীরা আক্তার দুর্ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন। মরদেহ স্বজনরা রাতেই বাড়িতে নিয়ে আসেন।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন

Advertisement

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2024