| | | |
সংবাদ শিরোনামঃ
মুুক্তিযোদ্ধার জানাযা ও দাফনে বাধা প্রদানের প্রতিবাদে ভেড়ামারায় মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ তাড়াশে হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে জনগণকে সম্পৃক্ত করে কমিউনিটি সভা অনুষ্ঠিত মিরপুরে মাটি পরীক্ষায় ডিজিটাল সেন্সর ব্যবহারে প্রশিক্ষণ ও ডিভাইস বিতরণ ভেড়ামারায় বিয়ে করতে এসে জরিমানা গুনতে হলো বর কে ভেড়ামারায় আলহেরা মডেল একাডেমী স্কুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও মা সমাবেশ ভেড়ামারার পদ্মায় পানির তোড়ে ভেসে গেলো কৃষক ভেড়ামারায় গনধর্ষন/ ৪ দিন মৃত্যুর সাথে লড়ে হেরে গেলো তরুনী ভেড়ামারা থানা পুলিশের অভিযানে ৪০ পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ ২জন আসামি গ্রেফতার। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর সঙ্গে ঢাকাস্থ ভেড়ামারা সমিতির নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে বাবা-মা, দাদু আর একমাত্র ভাই সবাইকে হারিয়ে মহিমার চোখে কেবলই অন্ধকার/ আগুনে ছাই হয়ে গেল মহিমার সব স্বপ্ন
ভেড়ামারায় ট্রেতে চারা উৎপাদন ও রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে ধানের চারা রোপণ

ভেড়ামারায় ট্রেতে চারা উৎপাদন ও রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে ধানের চারা রোপণ

  • জাহিদ হাসান :

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা বাহিরচর ইউনিয়নের মুসল্লিপাড়া গ্রামে গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসের আয়োজনে ২০২০/২০২১ অর্থবছরে খরিপ-২ মৌসুমে সম্ভব্য বন্যার ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে নিতে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় কমিউনিটি ভিত্তিক রোপা আমন ধানের চারা ও রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে রোপণের জন্য ট্রেতে নাবী জাতের আমন ধানের চারা ক্ষতিগ্রস্থ প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বিতরণ অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। ভেড়ামারা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার শাহানাজ ফেরদৌসী’র সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শুভ উদ্বোধন ঘোষনা করেন, ভেড়ামারা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আক্তারুজ্জামান মিঠু। এসময় বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ শায়খুল ইসলাম, বাহিরচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোছাঃ রওশনারা খাতুন, উপ সহকারী কৃষি অফিসার মোঃ সদরুল ইসলাম, মোঃ সাইফুল ইসলাম (এসএএও), মোঃ আশরাফুল ইসলাম সহ প্রমূখ। উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ শায়খুল ইসলাম জানান, ট্রেতে চারা উৎপাদন করে রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে ধানের চারা রোপণ কার্যক্রমে ১৬ জন চাষী ১ বিঘা জমিতে চারা রোপণের জন্য চারা পেয়েছেন। আপদ কালীন বীজতলায় ৩৪ শতাংশ জমিতে চারা উৎপাদনের জন্য ১০২ কেজি বীজ দেওয়া হয়েছে। এতে প্রত্যেক কৃষক ১বিঘা জমিতে রোপণের জন্য ১.৫ শতাংশ জমি’র চারা পেয়েছেন।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন

Advertisement

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2024