| | | |
সংবাদ শিরোনামঃ
মুুক্তিযোদ্ধার জানাযা ও দাফনে বাধা প্রদানের প্রতিবাদে ভেড়ামারায় মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ তাড়াশে হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে জনগণকে সম্পৃক্ত করে কমিউনিটি সভা অনুষ্ঠিত মিরপুরে মাটি পরীক্ষায় ডিজিটাল সেন্সর ব্যবহারে প্রশিক্ষণ ও ডিভাইস বিতরণ ভেড়ামারায় বিয়ে করতে এসে জরিমানা গুনতে হলো বর কে ভেড়ামারায় আলহেরা মডেল একাডেমী স্কুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও মা সমাবেশ ভেড়ামারার পদ্মায় পানির তোড়ে ভেসে গেলো কৃষক ভেড়ামারায় গনধর্ষন/ ৪ দিন মৃত্যুর সাথে লড়ে হেরে গেলো তরুনী ভেড়ামারা থানা পুলিশের অভিযানে ৪০ পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ ২জন আসামি গ্রেফতার। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর সঙ্গে ঢাকাস্থ ভেড়ামারা সমিতির নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে বাবা-মা, দাদু আর একমাত্র ভাই সবাইকে হারিয়ে মহিমার চোখে কেবলই অন্ধকার/ আগুনে ছাই হয়ে গেল মহিমার সব স্বপ্ন
ডাক বিভাগের চরম অবহেলায় চাকরি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ থেকে বঞ্চিত যুবক সাজ্জাদ

ডাক বিভাগের চরম অবহেলায় চাকরি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ থেকে বঞ্চিত যুবক সাজ্জাদ

কুষ্টিয়ার মুখ ডেক্স :
বাংলাদেশ ডাক বিভাগের মারাত্মক গাফিলতি ও পুরোনো ব্যবস্থার কারণে একটি সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেননি মোঃ সাজ্জাদ নামে এক যোগ্য প্রার্থী। যশোর সেনানিবাস অর্ডন্যান্স ডিপো কর্তৃক আয়োজিত নিয়োগ পরীক্ষার প্রবেশপত্র সময়মতো পৌঁছায়নি তার হাতে—যার ফলে ভবিষ্যৎ জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হারাতে হয়েছে তাকে।

ভুক্তভোগী মোঃ সাজ্জাদ জানান, তার প্রবেশপত্রটি বাংলাদেশ ডাক বিভাগের মাধ্যমে ৩ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে প্রেরণ করা হয়, নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ২২ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে। বিস্ময়কর ও দুঃখজনক হলেও সত্য, পরীক্ষার প্রায় দুই মাস পর, অর্থাৎ ০৭ই জানুয়ারি ২০২৬ সকাল ৮টায় পুরাতন আজমপুর পোস্ট অফিস থেকে প্রবেশপত্রটি তার হাতে পৌঁছানো হয়।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, একজন প্রার্থী হিসেবে সমস্ত যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও কেবলমাত্র ডাক বিভাগের দায়িত্বহীনতা ও চরম অব্যবস্থাপনার কারণে তিনি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেননি। এর ফলে একটি সম্ভাবনাময় সরকারি চাকরির সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে—যার ক্ষতিপূরণ কোনোভাবেই সম্ভব নয়।
মোঃ সাজ্জাদ প্রশ্ন তুলেছেন—
এই ব্যর্থতার দায় কে নেবে?
এটি কি সংশ্লিষ্ট পোস্ট অফিসের দায়িত্বজ্ঞানহীনতা, নাকি ডাক বিভাগের সেকেলে ও অকার্যকর ডেলিভারি সিস্টেমের ফল?
তিনি আরও বলেন, “ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা বলা হলেও বাস্তবে এখনো এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ কাগজ সময়মতো পৌঁছাতে না পারা চরম লজ্জাজনক। এই অব্যবস্থাপনা শুধু একজন প্রার্থীর জীবন নয়, পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।”
ভুক্তভোগী অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দোষীদের চিহ্নিত করা, জবাবদিহির আওতায় আনা এবং ভবিষ্যতে যেন আর কোনো যোগ্য প্রার্থী এভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হন—সেজন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন

Advertisement

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2024